ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠসহ নানা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। সদর দপ্তরসহ দেশের সব রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয়ে দিনব্যাপী এসব আয়োজন করা হয়।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাহিনীর সদর দপ্তরসহ দেশের সব রেঞ্জ ও জেলা কার্যালয়ে বিধি মেনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় বাহিনীর সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বাহিনীর সহকারী পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যথাযথ পতাকাবিধি অনুসরণ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বিশেষ বাণী পাঠ করা হয়। বাণীতে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব ও সমসাময়িক তাৎপর্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রীয় অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে সিপাহি-জনতার অভূতপূর্ব বিপ্লব ও সংহতির মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। পরবর্তীতে তাঁর দৃঢ় নেতৃত্বে দেশে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসে, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণ ঘটে এবং নির্বাচনী ধারায় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন দিগন্তের সূচনা হয়।
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ, দৃঢ় ঐক্য ও দেশসেবার অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন। সদর দপ্তর থেকে শুরু করে একদম মাঠপর্যায়ের কার্যালয় পর্যন্ত দেশজুড়ে বাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।