ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ 'সি'-এর ম্যাচে হাইতির মুখোমুখি হয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল. নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করার পর, দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেলেসাওরা. ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিল. মাতিউস কুনিয়ার জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চমৎকার ফিনিশিংয়ের ওপর ভর করে এই দাপুটে জয় নিশ্চিত করে তারা.
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের এই দাপুটে জয়ের মূল চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন দলের ফরোয়ার্ডরা:
কুনিয়ার জোড়া গোল: ম্যাচের প্রথমার্ধে ব্রাজিলের পক্ষে প্রথম গোলটি করেন মাতিউস কুনিয়া. এরপর নিখুঁত শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করার মাধ্যমে দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেন এই তারকা.
ভিনিসিয়ুসের চমৎকার স্ট্রাইক: দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি আসে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পা থেকে. হাইতির গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান তিনি. গোল উদযাপনে মাঠের পাশে সতীর্থদের সঙ্গে মেতে ওঠেন এই রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার.
খেলোয়াড়দের পারস্পরিক সৌহার্দ্য: ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে দারুণ ক্রীড়াসুলভ মনোভাব দেখা যায়. ব্রাজিলের মাতিউস কুনিয়া ও হাইতির জিন-রিকনার বেলেগার্ডেকে ম্যাচ শেষে জার্সি বিনিময় করতে দেখা গেছে. অন্যদিকে ম্যাচ হেরে হাইতির ফরোয়ার্ড উইলসন ইসিদোরকে হতাশায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে দেখা যায়.
ম্যাচজুড়ে ডাগআউটে বেশ সক্রিয় ছিলেন ব্রাজিলিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি. তবে এই বড় জয়ের দিনেও ব্রাজিলের জন্য একমাত্র চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তারকা উইঙ্গার রাফিনহার চোট. প্রথমার্ধেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন রাফিনহা. তিনি যখন মাঠ থেকে বিদায় নিচ্ছিলেন, তখন কোচ আনচেলত্তি তাঁকে সান্ত্বনা দেন. নকআউট পর্বের আগে রাফিনহার এই চোট ব্রাজিল শিবিরের জন্য কতটা গুরুতর, তা পরবর্তী মেডিকেল রিপোর্টের পর জানা যাবে.
মন্তব্য করুন