|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 9, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে টান: বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে টান পড়েছে। সংগৃহীত ছবি

ইরানের সঙ্গে মাসের পর মাস ধরে চলা তীব্র সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ও অস্ত্রভাণ্ডারে মারাত্মক টান পড়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'দ্য নিউইয়র্ক টাইমস'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুদ্ধে হাজার হাজার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ও নির্ভুল নিশানাভেদী অস্ত্র ব্যবহার করার ফলে পেন্টাগনের মজুত এমন এক পর্যায়ে নেমে এসেছে, যা ওয়াশিংটনের বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা কৌশলকে বড় ধরনের সংকটের মুখে ফেলেছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে পেন্টাগন বাধ্য হয়ে ইউরোপ ও এশিয়া থেকে যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে স্থানান্তরিত করেছে। এর ফলে ওই অঞ্চলগুলোতে দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন প্রতিরোধক্ষমতা বা ‘ডিটারেন্স’ বজায় রাখা নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র ১ হাজার ৫০০টিরও বেশি ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, যার ফলে বর্তমানে দেশটির হাতে মজুত থাকা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ১ হাজার ৭০০টিরও নিচে নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন নাটকীয়ভাবে বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতে দুই বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে।

অস্ত্র স্থানান্তরের এই পদক্ষেপে এশিয়া ও ইউরোপের মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো কৌশলগত অংশীদারদের সুরক্ষায় ঘাটতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেক মার্কিন কর্মকর্তা। এছাড়া ‘আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম’ (ATACMS) এবং ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল’ (PrSM)-এর মতো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও প্রায় শেষের পথে। চীন ও রাশিয়ার সামরিক কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনের এই অস্ত্র ফুরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন, যা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এই পরিস্থিতিতে পেন্টাগন প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের উৎপাদন ক্ষমতা সর্বোচ্চ ২১ দিনের মধ্যে বাড়ানোর বিস্তারিত পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং সরবরাহ প্রক্রিয়া আরও আগ্রাসী করার তাগিদ দিয়েছে। তবে ১ দশমিক ১৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যয় বিল কংগ্রেসে আটকে থাকায় দ্রুত অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর এই প্রচেষ্টা যথেষ্ট জটিল হয়ে উঠেছে। ওয়াশিংটনের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাত সামলানোর পাশাপাশি ইউরোপ ও এশিয়ার নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং ফুরিয়ে যাওয়া অস্ত্রের মজুত দ্রুত পুনর্গঠন করা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকদের সার লুটের ঘটনায় প্রশাসনিক

1

প্রীতি জিনতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর পর মুখ

2

প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ ও বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না বিএনপির মিত্র জম

3

স্বর্ণের দাম নির্ধারণে বাজুসের হাত নেই: বাজুসের ব্যাখ্যা

4

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: নতুন মামলায় আসামি হচ্ছেন হাসানুল হক

5

অর্থের অভাবে কোনো নাগরিকের চিকিৎসা বন্ধ হবে না: সমাজকল্যাণমন

6

ইসরাইলি হামলার জবাব দেবে হিজবুল্লাহ

7

দল মনে করলে তাকেও একটা দায়িত্ব দেওয়া উচিত: অ্যাডভোকেট ফজলু

8

পাকিস্তানে ১৮ লাখ রুপিতে বিক্রি হলো বিরল প্রজাতির ‘শেরা প্রি

9

দেশে দৈনিক ১,৬৩০ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদন: সরকার গৃহীত নতুন প

10

ব্যালন ডি’অর জিততে যা করার সবই করেছি: হ্যারি কেইন

11

ইসরাইলকে ইসমাইল ঘানির সতর্কবার্তা

12

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান

13

গফরগাঁওয়ে ২ ঘণ্টা আটকে রইল কমিউটার ট্রেন, যাত্রীদের চরম ভোগা

14

নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বন্দুকধারীর গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত,

15

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার কর

16

এআই কবজায় নিতে বললেন ইসরাইলি গবেষক মায়া অ্যাকারম্যান

17

বারুইপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ: বিক্ষোভে উ

18

শিক্ষাবৃত্তি দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত: ৩৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ের পর

19

ল্যাব টেস্টে এআরআরআই অ্যালেক্সা ৩৫-কে পেছনে ফেলল ডিজেআই ওসমো

20