দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ইরানে স্থল সেনা অভিযানে অনীহা ট্রাম্প প্রশাসনের: কেন আকাশপথই ভরসা?

০ শেয়ার
ইরানে স্থল সেনা অভিযানে অনীহা ট্রাম্প প্রশাসনের: কেন আকাশপথই ভরসা?

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই স্থল অভিযান এড়াতে চাইছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কৌশলগত কারণে স্থল যুদ্ধের বদলে আকাশপথের লড়াইয়ের দিকেই ঝুঁকছে মার্কিন প্রশাসন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছালেও, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইরানে বড় কোনো স্থল আগ্রাসন বা সেনা অভিযানের সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
  • আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউস যেকোনো ধরনের রক্তক্ষয়ী স্থলযুদ্ধ এড়াতে অত্যন্ত সতর্ক এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন কোনো বড় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার মতো রাজনৈতিক পুঁজি বা সদিচ্ছা কোনোটিই নেই।
  • জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির রাজনৈতিক বিশ্লেষক পল মাসগ্রেভ এ বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই দীর্ঘমেয়াদী স্থল অভিযানের ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছালেও, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইরানে বড় কোনো স্থল আগ্রাসন বা সেনা অভিযানের সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউস যেকোনো ধরনের রক্তক্ষয়ী স্থলযুদ্ধ এড়াতে অত্যন্ত সতর্ক এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন কোনো বড় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার মতো রাজনৈতিক পুঁজি বা সদিচ্ছা কোনোটিই নেই।

জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির রাজনৈতিক বিশ্লেষক পল মাসগ্রেভ এ বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই দীর্ঘমেয়াদী স্থল অভিযানের ঝুঁকি নিতে চাইছে না। তিনি মনে করেন, ইরানে স্থল অভিযান চালানো হলে তা অত্যন্ত ভয়াবহ এবং প্রাণঘাতী হতে পারে। ভেনেজুয়েলার মতো তুলনামূলক সহজ লক্ষ্যের বিপরীতে ইরান সামরিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং প্রতিকূল। ফলে ইরানে সেনা পাঠানোর অর্থ হলো মার্কিন বাহিনীকে বড় ধরনের বিপর্যয় ও রক্তপাতের মুখোমুখি ঠেলে দেওয়া।

স্থল অভিযান পরিচালনার জন্য যে দীর্ঘ প্রস্তুতির প্রয়োজন, সেই সময়টুকু ইরান তার বাহিনীর ওপর পাল্টা আঘাত হানার সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে পারে। এই কৌশলগত বাস্তবতার কারণেই মার্কিন প্রশাসন স্থল সেনার চেয়ে আকাশপথে বিমান হামলা এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র অভিযানের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে এমন একটি নীতি বেছে নিয়েছে যেখানে নিজের সেনাদের সরাসরি ঝুঁকির মুখে না ফেলে আকাশপথের শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।

ইউক্রেন যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতির কথা উল্লেখ করে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন প্রশাসন নিজের সেনাদের ঠিক একই ধরণের বিধ্বংসী পরিস্থিতির মধ্যে ফেলতে আগ্রহী নয়। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে এটি স্পষ্ট যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বর্তমান সংঘাত মূলত আকাশপথ এবং দূরপাল্লার সক্ষমতা প্রদর্শনের লড়াইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। স্থল যুদ্ধের জটিলতা ও রাজনৈতিক ব্যয়ভার এড়িয়ে চলাই বর্তমানে ওয়াশিংটনের প্রধান কৌশল হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

বিশ্বকাপ সাফল্যের গোপন রহস্য যৌনতা?

2

আশুরা উপলক্ষে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

3

ব্রিস্টলের আকাশচুম্বী আবাসন প্রকল্পে ইসরাইলি অর্থায়ন: বিতর্ক ও বাস্তবচিত্র

4

ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি অস্ত্র সরবরাহ: আজ রাতে ইরানে ‘বৃহত্তম বোমাবর্ষণের’ ঘোষণা

5

বড় সুখবর পেলেন বাংলাদেশি পেসার মারুফা আক্তার

6

France vs Iraq Prediction: ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও ইরাকের মহাদ্বৈরথ

7

ল্যাব টেস্টে এআরআরআই অ্যালেক্সা ৩৫-কে পেছনে ফেলল ডিজেআই ওসমো পকেট ৪ প্রো

8

যানজট নিরসনে রাজধানীর ১২০টি মোড়ে চালু হচ্ছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা

9

অপ্রতিম হত্যা: মোবাইল ফোনে হুমকি পাচ্ছে পরিবার, আতঙ্কে মা-বাবা

10

জাপানি ফাঁদ ও আনচেলত্তির জাদুকরী কৌশল: যেভাবে জয় পেল ব্রাজিল