|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 10, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় গণগুলিবর্ষণ, নিহত ১২

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ হত্যাকাণ্ডের হারের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় আবারও এক ভয়াবহ ও নৃশংস গণগুলিবর্ষণের (Mass Shooting) ঘটনা ঘটেছে। দেশটির জোহানেসবার্গ শহরের একটি অনানুষ্ঠানিক বসতিতে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত একদল বন্দুকধারীর অতর্কিত হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এই বর্বরোচিত ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও অন্তত ৯ জন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

মঙ্গলবার গভীর রাতে জোহানেসবার্গের ক্লিভল্যান্ড শহরতলির ‘জাম্পার্স ইনফরমাল সেটেলমেন্ট’-এ এই রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং খুনিদের ধরতে বড় ধরনের চিরুনি অভিযান শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষ পুলিশ বাহিনী। তবে ঘটনার বেশ কিছু সময় পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’-র প্রতিবেদন ও স্থানীয় পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রক্তক্ষয়ী এই হামলার রোমহর্ষক বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

  • পরিকল্পিত আক্রমণ: মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে ভারী রাইফেলে সজ্জিত অন্তত ১০ জন মুখোশধারী সশস্ত্র অপরাধী একটি সাদা রঙের টয়োটা কোয়ান্টাম মাইক্রোবাসে করে ক্লিভল্যান্ডের একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে এসে নামে।

  • এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ: গাড়ি থেকে নেমেই অপরাধীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অনানুষ্ঠানিক বসতিটিতে প্রবেশ করে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা বিভিন্ন ঘর ও গলিতে সাধারণ মানুষের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। হামলা শেষে তারা একই গাড়ি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়।

  • হতাহতের পরিসংখ্যান: ঘটনাস্থলেই ৮ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী বুক ও মাথায় গুলি লেগে মারা যান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হলে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১২ জনে। এছাড়া চিকিৎসাধীন বাকি ৯ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

জোহানেসবার্গের প্রাদেশিক পুলিশ কমিশনার লেফটেন্যান্ট জেনারেল টমি মথোমবেনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এই ঘটনাকে ‘হৃদয়হীন’ এবং ‘বর্বর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া না গেলেও পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অবৈধ খনি শ্রমিকদের দলগত কোন্দল বা এলাকাভিত্তিক আধিপত্য বিস্তারের যোগসূত্র রয়েছে। যেহেতু আক্রান্ত বসতিটি একটি পরিত্যক্ত খনি অঞ্চলের পাশে অবস্থিত, তাই সোনা চোরাচালানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই সংঘাত হয়ে থাকতে পারে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আরাকান আর্মি কর্তৃক ১৩ বাংলাদেশি জেলে অপহরণ | টেকনাফ নিউজ ২০

1

ট্রাম্পের ‘ভেঙে ফেলার রাজনীতি’! মিত্রদের অন্ধকারে রেখে শুরু

2

ঢাকাসহ দেশের ৯ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি ও ঝড়ের পূর্বা

3

মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ: শপথ নিলেন টাঙ্গাইলের অ্যাডভোকেট আহমেদ

4

চট্টগ্রামে অ্যাপোলো হাসপাতাল ইনফরমেশন সেন্টার উদ্বোধন ২০২৬ |

5

হাইফার তেল শোধনাগারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: হিজবুল্লাহর অভিযানে

6

মোদির ইসরায়েল সফর কেন গুরুত্বপূর্ণ

7

শরিফ ইউনিভার্সিটিতে বোমা হামলার নিন্দা মার্কিন কংগ্রেস সদস্য

8

আল-আকসার নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টায় হামাসের হুঁশিয়ারি

9

বিশ্বকাপে যেভাবে আছে বাংলাদেশ

10

বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বোস পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার নির্

11

নয়াপল্টনে যুবদলের পদবঞ্চিতদের অবস্থান

12

ছাত্রশিবির নেতা জিসান অচেতন অবস্থায় উদ্ধার

13

‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে এবি পার্টি

14

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় একই পরিবারের ৫ জনের মর্মান্তিক মৃ

15

পিছিয়ে পড়েও চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারাল দক্ষিণ কোরিয়

16

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে উত্তাল বিশ্ববাজার: বৃহস্পতিবারও বাড়ল স্বর্

17

১৫ বছর বয়সে পর্নো সাইটে নিজের ছবি দেখেছিলেন জাহ্নবী কাপুর: এ

18

ইরাকে বাস উল্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২১

19

বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের পদত্যাগ ২০২৬ | সুপ্রিম কোর্ট আপড

20