দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Mar 25, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

২০ বছর ধরে লাইসেন্স ছাড়াই চলছে স্টার সিনেপ্লেক্স: অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

০ শেয়ার
২০ বছর ধরে লাইসেন্স ছাড়াই চলছে স্টার সিনেপ্লেক্স: অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
স্টার সিনেপ্লেক্স। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্স কোনো বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই ২০ বছর ধরে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। টিকিট জটিলতা ও আইনি ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত দেশের জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্সকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
  • ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কোনো বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে সম্প্রতি এক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জানা গেছে।
  • আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি অনাপত্তি পত্র (NOC) দিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল যা নিয়ম অনুযায়ী বৈধ নয়।

রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত দেশের জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্সকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কোনো বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে সম্প্রতি এক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জানা গেছে। আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি অনাপত্তি পত্র (NOC) দিয়ে তাদের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল যা নিয়ম অনুযায়ী বৈধ নয়। যেকোনো প্রেক্ষাগৃহ পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসন বা ডেপুটি কমিশনারের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও স্টার সিনেপ্লেক্সের ক্ষেত্রে তা অনুপস্থিত ছিল।

অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত সংবাদমাধ্যমকে জানায় যে উনাদের এনওসি নেওয়া আছে তাও সেই ২০০৪ সালের কিন্তু কোনো হালনাগাদ লাইসেন্স নেই। মাদার কোম্পানি শোমোশন লিমিটেড হলেও স্টার সিনেপ্লেক্স পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনি নথিপত্রে যথাযথ উল্লেখ পাওয়া যায়নি। লাইসেন্স জটিলতার পাশাপাশি দর্শকদের অনলাইন টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রেও বড় ধরণের ভোগান্তির প্রমাণ পেয়েছে আদালত। অনেক গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হলেও টিকিট প্রিন্ট না হওয়ার মতো সফটওয়্যারজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে যা নিয়ে সাধারণ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে।

টিকিট জটিলতা প্রসঙ্গে সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে এটি একটি কারিগরি ত্রুটি এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের টাকা আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে রিফান্ড বা ফেরত দেওয়া হবে। আদালত এই বিষয়ে তাদের কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করেছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে সফটওয়্যারের সমাধান করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় ধরে যথাযথ লাইসেন্স ছাড়া এবং ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগে স্টার সিনেপ্লেক্সের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং বড় অঙ্কের জরিমানার ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আপাতত আর্থিক জরিমানা না করলেও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আইসিসির করিম খান সাময়িক বরখাস্ত

2

ডিএসই পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর পরিবারের মানসিক চাপ ও উত্তরণের উপায়

3

বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক করার আইনি পদক্ষেপে ভারতীয় মুসলিমদের গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ

4

১৫ অক্টোবর ২০২৬: দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

5

বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রত্যাহারের আহ্বান সোহেল তাজের

6

প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ ও বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না বিএনপির মিত্র জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম

7

বড় দাতাদের থেকে ঋণের প্রতিশ্রুতি নেই

8

‘তেলাপোকাদের’ আন্দোলনে লাঠিপেটা, দিল্লি পুলিশকে ‘গুন্ডা’ বললেন নাসিরুদ্দিন শাহ

9

ঝাড়খণ্ডে চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে তীব্র ছাত্র আন্দোলন, অনশনে ছাত্রনেতা

10

সাভারে আসামি পালানোর ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার