বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন ও শৈশবের প্রতিটি অধ্যায় উম্মতের জন্য হিদায়াতের আলোকবর্তিকা। ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় একটি আমল হলো আকিকা, যা নবজাতকের কল্যাণে পালন করা হয়। তবে খোদ রাসুলুল্লাহ (স.)-এর আকিকা কে করেছিলেন এবং এর সঠিক সময় বা ধরন কেমন ছিল এ নিয়ে ঐতিহাসিক সীরাতের গ্রন্থগুলোতে মূলত দুটি ভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়, যা হাদিস শাস্ত্রের কষ্টিপাথরে বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সীরাতের প্রসিদ্ধ ও বহুল পরিচিত বর্ণনা অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ (স.)-এর জন্মের সপ্তম দিনে তাঁর দাদা আবদুল মুত্তালিব জাঁকজমকপূর্ণভাবে তাঁর আকিকা সম্পন্ন করেছিলেন। এই বিশেষ উপলক্ষে তিনি কুরাইশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দাওয়াত দিয়েছিলেন এবং ভরা মজলিসে নবজাতকের নাম রেখেছিলেন ‘মুহাম্মদ’। কুরাইশরা এমন ব্যতিক্রমী নাম রাখার কারণ জানতে চাইলে দাদা আবদুল মুত্তালিব দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছিলেন যে তিনি চেয়েছেন আসমান ও জমিনে আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির মধ্যে তাঁর নাতির প্রশংসা ছড়িয়ে পড়ুক। এই নামকরণের পেছনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্নের ঘটনাও যুক্ত ছিল, যেখানে তিনি আগেই নাতির বৈশ্বিক খ্যাতির ইঙ্গিত পেয়েছিলেন।
অপর একটি বর্ণনায় আবার ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়, যেখানে বলা হয়েছে যে মহানবী (স.) নবুয়ত লাভের পর নিজের আকিকা নিজেই করেছিলেন। তবে মুহাদ্দিস ও হাদিস বিশারদদের দীর্ঘ পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে এই দ্বিতীয় বর্ণনার সনদে কিছু দুর্বলতা রয়েছে, ফলে
মন্তব্য করুন