দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 29, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

নেপালে নতুন হ্রদ ভাঙার তীব্র ঝুঁকি: ফের ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা

০ শেয়ার
নেপালে নতুন হ্রদ ভাঙার তীব্র ঝুঁকি: ফের ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা

হিমবাহ ধসের পর নেপাল-চীন সীমান্তে তৈরি হওয়া নতুন হ্রদের পানি বাড়তে থাকায় বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয়রা।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • হিমালয়ে হিমবাহ ধসের জেরে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী বন্যায় নেপালের ক্ষত না শুকাতেই নতুন এক প্রাকৃতিক বিপদের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
  • সীমান্ত এলাকায় ধস ও পলি জমে তৈরি হওয়া নতুন একটি প্রাকৃতিক হ্রদের পানি ক্রমেই বেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
  • আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক এই বন্যায় ইতোমধ্যে ৬৩৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলেও এখনও দুই হাজার চারশ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

হিমালয়ে হিমবাহ ধসের জেরে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী বন্যায় নেপালের ক্ষত না শুকাতেই নতুন এক প্রাকৃতিক বিপদের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সীমান্ত এলাকায় ধস ও পলি জমে তৈরি হওয়া নতুন একটি প্রাকৃতিক হ্রদের পানি ক্রমেই বেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক এই বন্যায় ইতোমধ্যে ৬৩৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলেও এখনও দুই হাজার চারশ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। হ্রদের পাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় সেখানে চলমান উদ্ধার কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

বিজ্ঞানী ও গবেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হিমবাহ ও ভূমিধসের কারণে ওই এলাকায় মূলত দুটি নতুন হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ওপরের হ্রদটি হিমবাহ গলে যাওয়া পানি আটকে তৈরি হলেও নিচের লহেন্দে নদীর ওপর তৈরি হওয়া হ্রদটি আকারে অনেক বড় এবং বিপজ্জনক। চীনা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হ্রদটিতে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ থেকে ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমে রয়েছে এবং আগামী তিন দিনে তা দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ৫০ লাখ ঘনমিটারে পৌঁছাতে পারে, যা প্রায় ১২০০টি অলিম্পিক সাইজের সুইমিং পুলের পানির সমান। আলগা পাথর, বরফ ও কাদার তৈরি এই প্রাকৃতিক বাঁধ যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে গেলে নিমিষেই প্রলয়ংকরী বন্যা নেমে আসতে পারে।

এই সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে চীন থেকে একটি প্রকৌশলী দল পাঠানো হলেও দুর্গম ভূখণ্ডের কারণে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। নেপালের ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদীর উজানে অবস্থিত এই হ্রদের কারণে নদীর গতিপথ সংকুচিত হয়ে গেছে। গবেষকরা বলছেন, প্রাকৃতিক এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব না হলেও স্যাটেলাইট ও ড্রোনের মাধ্যমে নিয়মিত নজরদারি, সময়মতো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং নেপাল ও চীনের মধ্যে শক্তিশালী আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা জোরদার করার মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

তালা ভেঙে ভিসির দপ্তরে প্রবেশ, উত্তপ্ত চুয়েট ক্যাম্পাস

2

কাতারের এলএনজি সরবরাহ স্থগিত নভেম্বর পর্যন্ত, চাপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান

3

স্বপ্নের মাটি নাকি ইতিহাসের বিস্ময়: নকআউটে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র ও বসনিয়া

4

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের

5

জার্মানি বনাম কিউরাসাও লাইভ ম্যাচ প্রেডিকশন ও একাদশ ২০২৬

6

রাজধানীতে অবৈধ ব্যাটারি ও অটোরিকশার বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে ডিএমপি

7

জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন

8

অভিষেকের ৩৮ বলে ১১৩ রানের টর্নেডো ইনিংস

9

মন্দিরে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণহীন ট্রাকের চাপায় ১২ পুণ্যার্থী নিহত

10

ব্রাজিল বনাম মরক্কো ম্যাচের প্রিভিউ ও একাদশ