দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 27, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ইসলামি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত না থাকলে কি কাফের হয়ে যাবে?

০ শেয়ার
ইসলামি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত না থাকলে কি কাফের হয়ে যাবে?

নির্দিষ্ট কোনো ইসলামি সংগঠন বা দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকলে কাউকে কাফের বলা যাবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • নির্দিষ্ট কোনো ইসলামি সংগঠন, দল বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত না থাকলে সাধারণ কোনো মুসলমানকে ‘কাফের’ বা অবিশ্বাসী বলা যাবে কি না এ বিষয়ে প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্ক দেখা যায়।
  • ইসলামের মৌলিক আকিদা ও শরিয়তের দৃষ্টিতে কাউকে কাফের ফতোয়া দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
  • সম্প্রতি এই বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

নির্দিষ্ট কোনো ইসলামি সংগঠন, দল বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত না থাকলে সাধারণ কোনো মুসলমানকে ‘কাফের’ বা অবিশ্বাসী বলা যাবে কি না এ বিষয়ে প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্ক দেখা যায়। ইসলামের মৌলিক আকিদা ও শরিয়তের দৃষ্টিতে কাউকে কাফের ফতোয়া দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। সম্প্রতি এই বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

শায়খ আহমাদুল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, কোনো নির্দিষ্ট ইসলামি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত না থাকার কারণে কোনো মুসলমানকে কাফের আখ্যা দেওয়ার ন্যূনতম কোনো সুযোগ ইসলামে নেই। যারা এ ধরনের কথা বলেন, তাদেরকে ভাইদের ‘বাড়াবাড়ি’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন ইসলামিক দলের কর্মীরা অনেক সময় নিজ দলের গণ্ডি থেকে এমন কথা বলে থাকেন, যা পবিত্র কুরআন-হাদিসে কিংবা তাদের দলের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যেও বলা হয় না। ইসলামি কোনো রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে কাজ করা কাজের সুবিধার জন্য জায়েজ হলেও, এর সঙ্গে যুক্ত না থাকলেই কাউকে কাফের ফতোয়া দেওয়া চরম অজ্ঞতা ও বাড়াবাড়ি।

একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে রাজনৈতিক ও সামাজিক দূরদর্শিতার ওপর জোর দিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ইসলাম ও মুসলমানদের কল্যাণ কোনটিতে, তা অনুধাবন করার মতো রাজনৈতিক সচেতনতা প্রত্যেক মুসলমানের থাকা উচিত। দেশ, মাটি ও মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। কোনো সাংগঠনিক প্ল্যাটফর্মে কাজ করাকে তিনি কাজের গতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক বললেও সতর্ক করে বলেছেন, সাংগঠনিক অন্ধত্ব যেন আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশনার চেয়ে দলীয় সংকীর্ণতাকে বড় করে না তোলে। বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির ঊর্ধ্বে ওঠে শরিয়তের সঠিক ভারসাম্যপূর্ণ বোঝাপড়া অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন এই বিশিষ্ট আলেম।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে জেলা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

2

ট্রাইব্যুনালের নতুন রায়: দেশজুড়ে রাজনৈতিক প্রভাবে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

3

শেখ হাসিনার বিচার ও আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন ঠেকানোর ঘোষণা ছাত্র অধিকার পরিষদের

4

আজাদ কাশ্মীরকে আরও সাংবিধানিক ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব বিলাওয়াল ভুট্টোর

5

ম্যানচেস্টার সিটির কাছে রদ্রির জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিল বার্সেলোনা

6

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাক উল্টে পথচারী নিহত, আহত ৪

7

মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম আর নেই

8

বিএনপি জনরায় উপেক্ষা করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে: জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল

9

মন্ত্রীকে না জানিয়ে খাদ্যগুদাম পরিদর্শন, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলেন এপিএস

10

ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫