বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন খাতের সামগ্রিক মানোন্নয়ন এবং সেবাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিসভায় এই পরিবর্তন এনেছেন। শনিবার দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নবনিযুক্ত মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ কথা বলেন।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমান, সিভিল অ্যাভিয়েশন এবং পর্যটন করপোরেশনকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুনভাবে এবং আরও আধুনিক উপায়ে সাজাতে চাচ্ছেন। মূলত এই লক্ষ্য অর্জনের পথ সুগম করতেই তিনি মন্ত্রিসভায় নতুন পদায়ন করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই জনগণের উন্নয়ন ও দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কাকে দিয়ে কোথায় কাজ করালে দেশের জন্য কল্যাণ হবে, সেই দূরদর্শী চিন্তাভাবনা থেকেই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
পূর্বের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীর প্রসঙ্গে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আগের দায়িত্বে থাকা আফরোজা খানম রিতাকেও প্রধানমন্ত্রী অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে (খাদ্য মন্ত্রণালয়) বহাল করেছেন। মূলত কাজের গতি বাড়ানোর জন্য এবং পর্যটন খাতের ব্যাপক বিস্তারের লক্ষ্যে সরকার আরও বেশি ডায়নামিক বা কর্মতৎপর কোনো নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখতে চেয়েছিল। এই গুরুদায়িত্ব অর্পণের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আল্লাহর কাছে শোকরিয়া জানান।
নিজের মন্ত্রণালয়ের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্বীকার করেন যে, বিমান ও পর্যটন খাতে বর্তমানে বেশ কিছু বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে সততা, পরিকল্পনা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে সেই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য তিনি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং নবনিযুক্ত দুই প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। নতুন এই মন্ত্রিসভার মাধ্যমে দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন