দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 28, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দুর্নীতিবাজদের অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফেরাতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি

০ শেয়ার
দুর্নীতিবাজদের অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফেরাতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ও কালো টাকা উদ্ধার করতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। একই সঙ্গে তিনি ব্যাংক সংখ্যা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি নির্মূল এবং অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
  • রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনার সময় তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন।
  • তিনি যুক্তি দেন যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জমানো কালো টাকা এবং দুর্নীতিবাজদের গচ্ছিত নগদ অর্থ উদ্ধার করতে এই পদক্ষেপটি অত্যন্ত কার্যকরী হবে।


বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি নির্মূল এবং অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনার সময় তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন। তিনি যুক্তি দেন যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জমানো কালো টাকা এবং দুর্নীতিবাজদের গচ্ছিত নগদ অর্থ উদ্ধার করতে এই পদক্ষেপটি অত্যন্ত কার্যকরী হবে।

সংসদ সদস্যের মতে, বর্তমানে অনেক মানুষ ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ঘরে সংরক্ষণ করছেন। এমনকি যারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, তারাও বিপুল নগদ অর্থ রেখে গেছেন। এমতাবস্থায় সরকার যদি নির্দিষ্ট এক বা দুই মাসের সময় বেঁধে দিয়ে ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তবে সেই অর্থ মূলধারার অর্থনীতিতে ফিরে আসবে। যারা অর্থের বৈধ উৎস দেখাতে পারবেন না, তাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট হারে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কর দিয়ে অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়ারও প্রস্তাব রেখেছেন তিনি। এতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনীতির চাকা সচল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ব্যাংকিং খাতের বিশৃঙ্খলা নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেছেন ব্যারিস্টার খোকন। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যাংক রয়েছে এবং ‘এমপি বা নেতা হলেই ব্যাংক বা লিজিং কোম্পানি লাগবে’ এই সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। জনগণের করের টাকায় দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টিকিয়ে রাখার বর্তমান ব্যবস্থার অবসান চেয়ে তিনি ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে খাতটিকে শক্তিশালী ও কার্যকর করার আহ্বান জানান।

অর্থ পাচারের বিষয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরানোর কথা শোনা গেলেও বাস্তবে তা খুব একটা সফল হয়নি। তার মতে, মানুষ কেবল তখনই দেশে অর্থ রাখবে যখন তারা বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ ও আস্থাশীল পরিবেশ পাবে। তাই শুধু অর্থ উদ্ধারের পেছনে না ছুটে এমন একটি আইনি ও আর্থিক কাঠামো তৈরি করতে হবে, যেখানে বিনিয়োগকারীরা তাদের অর্থ নিরাপদ মনে করেন। বাজেটের অন্যান্য দিক নিয়ে তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানমূলক কর্মসূচি থাকলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য বেকারত্ব দূরীকরণ ও তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় হত্যার দাবি পুলিশের, স্বজনদের সন্দেহ

2

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

3

ভারতে লঞ্চ হলো রেডমি নোট ১৭ প্রো ও নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স

4

বান্দরবান হাসপাতালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

5

আর্থিক সংকটের চাপে নবম পে স্কেলে কাটছাঁট, কোন কোন খাতে প্রভাব পড়ছে?

6

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের নির্দেশ

7

গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এককভাবে শীর্ষে মেসি, সাথে আছেন এমবাপ্পে-হালান্ড

8

সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর: দেশে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা ও ৩ মাসের আবহাওয়া পূর্বাভাস

9

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর ফাইনালে যাওয়ার সমীকরণ

10

চট্টগ্রামে মা-মেয়ে হত্যায় প্রধান আসামি গ্রেফতার