দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 14, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ভারতের আপত্তিতে নেপালের বিদ্যুৎ আমদানি আটকে গেল

০ শেয়ার
ভারতের আপত্তিতে নেপালের বিদ্যুৎ আমদানি আটকে গেল

সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার ঘাটতির অজুহাত দেখিয়ে নেপাল থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির অনুমোদন স্থগিত করেছে ভারত। ফলে ১৫ জুন থেকে কেবল ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • নেপাল থেকে ভারতের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির যে যৌথ পরিকল্পনা ছিল, তা ভারতের আপত্তিতে আপাতত থমকে গেছে।
  • সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার অজুহাত দেখিয়ে ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) এই আমদানির অনুমোদন প্রক্রিয়াটি স্থগিত করেছে।
  • ফলে পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন (২০২৬) থেকে বাংলাদেশ কেবল আগের নির্ধারিত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎই পাবে।


নেপাল থেকে ভারতের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির যে যৌথ পরিকল্পনা ছিল, তা ভারতের আপত্তিতে আপাতত থমকে গেছে। সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার অজুহাত দেখিয়ে ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) এই আমদানির অনুমোদন প্রক্রিয়াটি স্থগিত করেছে। ফলে পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন (২০২৬) থেকে বাংলাদেশ কেবল আগের নির্ধারিত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎই পাবে। রবিবার (১৪ জুন) নেপালের জ্বালানি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ভারতের এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেডকে (এনভিভিএন) অনুরোধ জানালেও তারা স্পষ্ট করে দেয় যে, ভারত-বাংলাদেশ ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বহরমপুর-ভেড়ামারা সঞ্চালন লাইনটিতে এই অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিবহনের আর কোনো সক্ষমতা বা সুযোগ নেই। এই জটিলতা কাটাতে এখন নতুন করে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সংশোধন করতে হবে এবং নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির (জেএসসি) সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক জেএসসি বৈঠকে বিদ্যমান ৪০ মেগাওয়াটের পাশাপাশি আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এনইএর বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক তর্ক বাহাদুর থাপা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াটের জন্য আনুষ্ঠানিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি চূড়ান্ত না হলেও ভারতের সিইএ-র কাছে প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছিল, যা লাইনের সক্ষমতার অভাবে আটকে গেল। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর এনইএ, এনভিভিএন এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা সচল রয়েছে। নেপালের ত্রিশূলী ও চিলিম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ৬ দশমিক ৪০ মার্কিন সেন্টে ডলারে কেনে বাংলাদেশ। নেপাল মূলত বর্ষা মৌসুমে তাদের উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ভারত ও বাংলাদেশে রপ্তানি করে থাকে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নিয়ে তৈরি হওয়া এই নতুন কারিগরি ও আইনি জটিলতা কাটাতে নেপাল ও ভারতের আসন্ন যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে নতুন সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে হবে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষায় ‘শিক্ষক সুরক্ষা আইন’ চালুর দাবি শিক্ষিকা বিউটি রানীর

2

চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে আধুনিক ল্যাব ও ডায়ালিসিসসহ একগুচ্ছ নতুন উদ্যোগ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

3

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি: বিগত বছরের তুলনায় মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি

4

জেনারেল ওসমানীকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি: নাহিদ ইসলাম

5

১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ২০২৬ | স্থানীয় সরকার বিভাগ আপডেট

6

শোষণ ও লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের শপথ এবি পার্টির

7

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ২২ ঘণ্টা পর ৫ জেলের লাশ উদ্ধার

8

বাথরুমে অতিরিক্ত চাপে স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ার ঝুঁকি: চিকিৎসা বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা

9

সুইজারল্যান্ড বনাম আলজেরিয়া: ২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মুখোমুখি দুই দল

10

কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: বিএআরআই পরিদর্শনে রাষ্ট্রপতি