দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Oct 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

মুন্সীগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

০ শেয়ার
মুন্সীগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে ১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবা এবাদত মীরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। বিস্তারিত পড়ুন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার দক্ষিণ চারিগাঁও আশ্রয়ণ কেন্দ্র এলাকায় নিজের ১৩ বছর বয়সী নাবালিকা মেয়েকে অনবরত ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের অপরাধে এবাদত মীর (৬০) নামের এক পাষণ্ড বাবাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
  • কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং তা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
  • সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) তেহসিন ইফতেখার ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেন।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার দক্ষিণ চারিগাঁও আশ্রয়ণ কেন্দ্র এলাকায় নিজের ১৩ বছর বয়সী নাবালিকা মেয়েকে অনবরত ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের অপরাধে এবাদত মীর (৬০) নামের এক পাষণ্ড বাবাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং তা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) তেহসিন ইফতেখার ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবাদত মীর ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

মামলার নথিপত্র ও বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির মা সংসার চালাতে সাভারের আশুলিয়া এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন এবং কাজের সুবিধার্থে সেখানেই বসবাস করতেন। মা বাসায় না থাকার সুযোগে গৃহহীনদের আশ্রয়ণ কেন্দ্রের ঘরে কিশোরী মেয়েকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার ও ধর্ষণ করে আসছিলেন পাষণ্ড বাবা এবাদত মীর।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই পাশবিকতার চরম পর্যায় ঘটে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি। ওই দিন নিজ ঘরে মেয়েকে ধর্ষণের সময় সন্দেহ হলে স্থানীয় বাসিন্দারা হাতেনাতে এবাদত মীরকে ধরে ফেলেন এবং গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। ঐ দিনই স্থানীয় প্রতিবেশী ইউনুস ফরাজী বাদী হয়ে লৌহজং থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় মোট সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণ, উদ্ধারকৃত আলামত ও মেডিকেল রিপোর্ট পর্যালোচনা শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দৃষ্টান্তমূলক এই রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, এমন জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারক উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন এবং এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ পুরোপুরি সন্তুষ্ট।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

অক্টোবরের নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু: রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

2

সিলেটের ওসমানীনগরে লরি ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ৪

3

কুমিল্লায় প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে অটোরিকশাচালক গ্রেপ্তার

4

শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা: তথ্য উপদেষ্টা

5

লাহোরে ইংল্যান্ডের লাইভ: ডাকেটের অপরাজিত ৯৫, ৩১.৬ ওভারে ১৭১/৫

6

দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী

7

মামলা, গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

8

মাদ্রাসায় সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে সহায়তা দিচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ, চালু হটলাইন

9

মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে অ-মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিতে চুলচেরা যাচাই-বাছাই চলছে

10

আবারও র‍্যাম্পে হাঁটবেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন