দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 20, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

অভিনন্দন ব্রাজিল, থুক্কু স্পেন’: ফাইনালের পর জয়ের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট নিয়ে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়

০ শেয়ার
অভিনন্দন ব্রাজিল, থুক্কু স্পেন’: ফাইনালের পর জয়ের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট নিয়ে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
শাহরিয়ার নাজিম জয়,

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের জয়ের পর অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়ের একটি ব্যঙ্গাত্মক ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে শুরু হয়েছে নানা তর্ক-বিতর্ক।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যঙ্গাত্মক ও রসাত্মক পোস্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়।
  • তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের ফুটবলপ্রেমী ও সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও নানামুখী প্রতিক্রিয়া।
  • মঙ্গলবার (২০ জুলাই) অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয় তার নিজস্ব ও ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যঙ্গাত্মক ও রসাত্মক পোস্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের ফুটবলপ্রেমী ও সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও নানামুখী প্রতিক্রিয়া।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয় তার নিজস্ব ও ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘অভিনন্দন ব্রাজিল। থুক্কু স্পেন। তবে আর্জেন্টিনা ছাড়া অন্য যে কোনো দল হলে খেলা শেষ হতো ৮-০ গোলে।’ তার এই ব্যতিক্রমী ও শ্লেষাত্মক পোস্টটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় নানা বিচার-বিশ্লেষণ।

পোস্টটিকে কেন্দ্র করে ফুটবল ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। একদল ভক্ত ও সমালোচকের মতে, জয়ের এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে মূলত আর্জেন্টিনার শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা ও নাছোড়বান্দা মনোভাবের প্রশংসাই अप्रत्यক্ষভাবে উঠে এসেছে। তাদের জোরালো দাবি, ম্যাচের ফল পক্ষে না আসলেও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা যেভাবে কড়া প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, অভিনেতা মূলত সেই লড়াকু চিত্রটিই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।

অন্যদিকে, অন্য একটি পক্ষ এটিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবল নিয়ে চলা চিরাচরিত খুনসুটি ও নিছক রসিকতা হিসেবেই দেখছেন। কেউ কেউ তার এই মজার মন্তব্যের সঙ্গে শতভাগ একমত পোষণ করলেও, অনেক সমর্থক আবার এটিকে বেশ অতিরঞ্জিত ও উসকানিমূলক বলে মন্তব্য করেছেন। ফলে ফাইনাল ম্যাচের উত্তাপ না কমতেই ভক্তদের এই ভার্চুয়াল দ্বৈরথ পোস্টটিকে কেন্দ্র করে আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সময় ঠিক ১টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী মহারণে মুখোমুখি হয়েছিল দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও স্পেন। টানটান উত্তেজনার সেই ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের ১২০ মিনিটের খেলা শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে বিশ্বমুকুট পরে স্পেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত বল পজিশন বজায় রেখে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে একের পর এক ভীতি ছড়াতে থাকে স্প্যানিশ ফুটবলাররা। খেলার বয়স তখন সবেমাত্র তিন মিনিট, এর মধ্যেই তারা পরপর দুটি আক্রমণ শাণায়। ডানপ্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে আক্রমণে উঠে স্প্যানিশরা আর্জেন্টিনার বিপদসীমায় ত্রাসের সৃষ্টি করে। সে সময় বক্সের ভেতর থেকে দারুণ একটি শট নেন তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল, যা প্রথমে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে প্রতিহত হওয়ার পর গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের গ্লাভসে গিয়ে জমা হয়।

তবে এর রেশ কাটতে না কাটতেই খেলার চতুর্থ মিনিটে দারুণ একটি কাউন্টার-অ্যাটাক বা প্রতিআক্রমণ থেকে স্পেনকে বড় বিপদে ফেলার সুযোগ তৈরি করেছিল আর্জেন্টিনা। বল পায়ে নিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বামপ্রান্ত ধরে আক্রমণে এগিয়ে যাচ্ছিল আলবিসেলেস্তেরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সে সময় নিজের গোলপোস্ট ছেড়ে প্রায় মাঝমাঠ পর্যন্ত দৌড়ে এসে সেই বিপজ্জনক আক্রমণ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন।

খেলার ১৮ মিনিটের মাথায় স্পেনের আক্রমণভাগের ফুটবলাররা আবারও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে হানা দেন। নিজেদের অর্ধ থেকে বাড়ানো একটি লম্বা বল নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দ্রুত বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েন লামিন ইয়ামাল। সে সময় তার পিছু নেওয়া ডিফেন্ডারকে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে কাটিয়ে ছয় গজ বক্সের ভেতর একটি বিপজ্জনক ক্রস বাড়িয়েছিলেন তিনি। তবে সতীর্থ খেলোয়াড় পা ছোঁড়ার আগেই বিশ্বস্তহাতে সেই বল লুফে নেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

এরপর ম্যাচের মধ্যলগ্নে খেলার গতি কিছুটা মন্থর হয়ে আসে এবং দুই দলের খেলোয়াড়েরা মূলত মাঝমাঠের দখল ধরে রাখতে নিজেদের মধ্যে কড়া লড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে বেশ কিছুক্ষণ উভয় দলের জন্যই আক্রমণ গড়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এরপর ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে আরও একবার আর্জেন্টিনাকে বড় পরীক্ষার মুখে ফেলে দেয় স্প্যানিশরা। বামপ্রান্ত ধরে দারুণ একটি আক্রমণ তৈরি করে বল পাসিংয়ের মাধ্যমে ডানপ্রান্তে ফাঁকায় থাকা মিকেল ওইয়ারাসাবালের কাছে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। বক্সের বাইরে থেকে তিনি তখন অত্যন্ত জোরালো একটি শট নিলেও, অভিজ্ঞ মার্টিনেজের দৃঢ়তায় সেই বল রুখতে স্প্যানিশদের কোনো বড় ধরনের বেগ পেতে হয়নি।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়ছে

2

রোমে আটকা পড়া ১৭৪ বাংলাদেশিকে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল বিমান ফ্লাইট

3

১৫ অক্টোবর ২০২৬: দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

4

রাতারাতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

5

গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র, ইতিহাস গড়লেন পচেত্তিনো

6

GLM-5.3: চীনা ল্যাবগুলো যেভাবে ফ্রন্টিয়ার এআই প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলছে |

7

রাজশাহীতে শুরু হয়েছে টিসিবির জুলাই মাসের পণ্য বিক্রি

8

কোপা দে ব্রসিল: ক্লাসিকোর পর আটলেটিকোর ক্লান্তি নিয়ে কোচ ডমিঙ্গুসের সতর্কবার্তা

9

ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জবি ছাত্রদলের

10

বিশ্বকাপে কখনো পেনাল্টি গোল করেননি ম্যারাডোনা