দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 18, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

৪৫ বছর পলাতক থাকার পর ধরা পড়লেন জিয়াউর রহমানের খুনি মেজর মোজাফফর

০ শেয়ার
৪৫ বছর পলাতক থাকার পর ধরা পড়লেন জিয়াউর রহমানের খুনি মেজর মোজাফফর

দীর্ঘ ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকা জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। নাকের নিচে থাকা একটি তিলই তার শনাক্তের বড় সূত্র হয়ে দাঁড়ায়।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও কিলিং স্কোয়াডের অন্যতম সদস্য মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন অবশেষে আইনের আওতায় এসেছেন।
  • ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা এই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
  • দীর্ঘ এই সময়ে মোজাফফর নিজের পরিচয়, পেশা এবং অবয়ব পরিবর্তন করে আড়ালে ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডিবি পুলিশের নিখুঁত অভিযানে তার দীর্ঘ পলাতক জীবনের অবসান ঘটল।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও কিলিং স্কোয়াডের অন্যতম সদস্য মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন অবশেষে আইনের আওতায় এসেছেন। ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা এই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। দীর্ঘ এই সময়ে মোজাফফর নিজের পরিচয়, পেশা এবং অবয়ব পরিবর্তন করে আড়ালে ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডিবি পুলিশের নিখুঁত অভিযানে তার দীর্ঘ পলাতক জীবনের অবসান ঘটল।

মামলার নথিপত্র ও তদন্ত অনুযায়ী, সার্কিট হাউজে হামলার সময় মেজর মোজাফফর ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন সরাসরি রাষ্ট্রপতির কক্ষের দিকে অগ্রসর হন। রাষ্ট্রপতিকে কক্ষের বাইরে এনে শনাক্ত করার পর মোজাফফরই সরাসরি গুলি চালিয়েছিলেন। এরপরই তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে ফোনে ইংরেজিতে বার্তা দিয়েছিলেন ‘দ্য প্রেসিডেন্ট হ্যাজ বিন কিল্ড’ (রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করা হয়েছে)। অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি কৌশলে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান এবং সেখানে ছদ্মনামে নতুন জীবন শুরু করেন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, নিজের আসল পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলার জন্য তিনি জাল নথিপত্র ও পাসপোর্ট ব্যবহার করে একাধিক দেশ সফর করেছেন। জীবনের শেষভাগে গোপনে বাংলাদেশে ফিরে তিনি বনানী ডিওএইচএসের মতো অভিজাত এলাকায় একজন সাধারণ ও রাজনীতিবিমুখ বৃদ্ধ হিসেবে বসবাস করছিলেন। তার অবস্থান নিশ্চিত হতে ডিবি পুলিশ তার মেয়ের কর্মস্থলের সূত্র ধরে কয়েক মাস নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালায়।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, শতবার চেহারা পরিবর্তনের চেষ্টায় সফল হলেও মোজাফফরের নাকের নিচে থাকা একটি জন্মদাগ বা তিল পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যই ছিল গোয়েন্দাদের বড় ক্লু। অভিযানের সময় ডিবি কর্মকর্তারা ‘এয়ারটেল অফিস’ থেকে আসার ছদ্মবেশে তার বাসার দরজায় কড়া নাড়েন। দরজা খুলে নিজেই নিজের পরিচয় ফাঁস করে দেন মোজাফফর। তাকে গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেনাবাহিনীর নিজস্ব জুডিশিয়াল প্রক্রিয়ার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ ৪৫ বছরের রহস্যময় ও পলাতক জীবনের শেষে ইতিহাসের এই অন্যতম চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘাতক এখন আইনের মুখোমুখি।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ইরান-ইউএস চুক্তিকে ট্রাম্পের উপদেষ্টার প্রশংসা

2

দৌলতদিয়া ঘাটে বাসের সলিল সমাধি: পদ্মার ৩০ ফুট নিচে তলিয়ে গেছে সৌহার্দ্য পরিবহন

3

ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার বড় উত্থান

4

অসুস্থতার গুঞ্জনে সালমানের খোঁচা: নিজের শরীর নিয়ে যা বললেন ভাইজান

5

বিগ বস ২০: ‘স্কাউট অপ’-এর প্রভাবে কি ঘরে ফিরছেন নাকুল ধুল?

6

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে রেকর্ড মুনাফা করল এক্সনমোবিল ও শেভরন

7

জোড়া গোলের রাতে রেকর্ডবুকে কেইন, পেছনে ফেললেন মেসিকে

8

মুমিনুলের দারুণ ফিফটি: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারে টেস্টে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ

9

Panama vs England: FIFA World Cup 2026 গ্রুপ পর্বের শেষ লড়াইয়ের প্রিভিউ

10

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু