দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 12, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সুস্থ কিডনির রহস্য: দৈনন্দিন অভ্যাসেই দূরে রাখুন নীরব ঘাতক

০ শেয়ার
সুস্থ কিডনির রহস্য: দৈনন্দিন অভ্যাসেই দূরে রাখুন নীরব ঘাতক
ফাইল ছবি

কিডনি রোগকে কেন ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়? দৈনন্দিন কোন অভ্যাসগুলো আপনার কিডনিকে ঝুঁকিতে ফেলছে এবং কীভাবে ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব, তা জেনে নিন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ, যা প্রতিদিন রক্ত পরিশোধন এবং বর্জ্য অপসারণের মতো জটিল কাজগুলো করে।
  • তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, কিডনির রোগ অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণই প্রকাশ করে না, যার ফলে একে ‘নীরব ঘাতক’ বা ‘সাইলেন্ট ডিজিজ’ বলা হয়।
  • কিডনি বিকলের পেছনে বড় ধরনের রোগের পাশাপাশি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কিছু ছোট ছোট ভুল অভ্যাস অনেকাংশে দায়ী।

কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ, যা প্রতিদিন রক্ত পরিশোধন এবং বর্জ্য অপসারণের মতো জটিল কাজগুলো করে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, কিডনির রোগ অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণই প্রকাশ করে না, যার ফলে একে ‘নীরব ঘাতক’ বা ‘সাইলেন্ট ডিজিজ’ বলা হয়। কিডনি বিকলের পেছনে বড় ধরনের রোগের পাশাপাশি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কিছু ছোট ছোট ভুল অভ্যাস অনেকাংশে দায়ী। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত ব্যথানাশক বা পেনকিলার সেবন কিডনির সূক্ষ্ম নালিগুলোর অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারে, যা অনেক ক্ষেত্রে কিডনি বিকলের পথ প্রশস্ত করে।

আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার সাথে কিডনির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ কিডনি নষ্ট হওয়ার দুটি প্রধান কারণ। দীর্ঘ সময় এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে না রাখলে কিডনির রক্তনালিগুলো ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে। এছাড়া অতিরিক্ত লবণ, প্রক্রিয়াজাত বা ফাস্ট ফুড খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান না করার অভ্যাস কিডনির ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুস্থতার জন্য দিনে অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার বা ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করা জরুরি। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং ধূমপান বা অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের মতো অভ্যাসগুলোও কিডনিকে দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের অভাব সরাসরি আমাদের কিডনির স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন সাত থেকে নয় ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়ক। এর চেয়ে কম বা বেশি ঘুমানো দীর্ঘমেয়াদী কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ থাকতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ আছে। বছরে অন্তত একবার রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করলে অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়েই রোগের লক্ষণ ধরা সম্ভব হয়।

শরীরের বিশেষ কিছু পরিবর্তনের দিকে সচেতন নজর রাখা প্রয়োজন। প্রস্রাবের রঙ বা পরিমাণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, হাত-পা ও চোখ ফুলে যাওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি, ক্ষুধামন্দা কিংবা অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ দেখলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের পরিবর্তন এবং সচেতনতা বজায় রাখলে এই নীরব ঘাতকের হাত থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব। জীবনযাত্রায় পরিমিতিবোধ ও সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস মেনে চলাই কিডনি সুস্থ রাখার প্রধান চাবিকাঠি।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

‘তেলাপোকাদের’ আন্দোলনে লাঠিপেটা, দিল্লি পুলিশকে ‘গুন্ডা’ বললেন নাসিরুদ্দিন শাহ

2

দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানে পরাজিত বাংলাদেশ ‘এ’

3

টেস্টে ৬৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ: টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের লজ্জাজনক তালিকা

4

ঝালমুড়ি কিনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার শিশু, পাংশায় বৃদ্ধ দোকানি গ্রেফতার

5

বাটারফ্লাই মাউথপিস নিয়ে বিশ্বজুড়ে চিকিৎসকদের সতর্কতা

6

ডেঙ্গুর পিক সময় আসছে সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

7

নিজেদের পরাজয়কে চুক্তি বলবেন না: যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

8

২৫০ দিন সমুদ্রে কাটিয়ে থাইল্যান্ডের পাটায়ায় মার্কিন নৌবাহিনীর নাবিকরা

9

বাজেট সেরা ফিচারে বাজারে এলো রেডমি নোট ১৫ এসই ৫জি: দাম ও ফিচার জানুন

10

নেপালে হিমবাহ ধস ও বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ দুই হাজারের বেশি