মাঠের বাইরের সব সমালোচনা ও গুঞ্জনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের হয়ে ইতিহাস গড়লেন মিডফিল্ডার মাতিয়াস গালার্জা। সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ৬৪ সেকেন্ডের মাথায় এক চোখধাঁধানো গোল করেন তিনি। আর এই গোলটির মাধ্যমেই চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের এখন পর্যন্ত দ্রুততম গোলের রেকর্ডটি নিজের নামে করে নিলেন এই প্যারাগুইয়ান তারকা। ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে এবং মাঠের পারফরম্যান্সে—উভয় জায়গাতেই গালার্জা প্রমাণ করেছেন যে দেশের জার্সিতে তিনি কতটা অনুপ্রাণিত ও নিবেদিত।
ম্যাচের আগে আলবিরোহা (প্যাগুয়ে) শিবিরের বাইরে মাতিয়াস গালার্জাকে নিয়ে নানা ভিত্তিহীন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছিল, দলের বাইরের কিছু বিষয়ের কারণে এই মিডফিল্ডার হয়তো তাঁর খেলার অনুপ্রেরণা বা মনোযোগ হারিয়েছেন। তবে ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনেই তিনি এই ধরনের সমস্ত গুঞ্জনকে নাকচ করে দেন। এরপর মাঠে নেমে খেলা শুরুর প্রথম মিনিটেই নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সমালোচকদের উপযুক্ত জবাব দেন গালার্জা।
ম্যাচের একদম প্রথমার্ধের শুরুতে প্যারাগুয়ে দল প্রতিপক্ষের ওপর উচ্চ গতিতে চাপ (হাই প্রেস) সৃষ্টি করে এবং তুরস্কের সীমানায় বলের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেয়। সেই আক্রমণ থেকেই বাঁ দিক দিয়ে ভেতরের দিকে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন গালার্জা। বল পায়ে পেয়েই তিনি বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নেওয়া দুর্দান্ত এক বাঁ-পায়ের জোরালো শট তুরস্কের গোলরক্ষককে পুরোপুরি পরাস্ত করে গোলপোস্টের কোণ দিয়ে জালে জড়ায়।
মাতিয়াস গালার্জার এই গোলটি ফুটবল বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ে ও বৈশ্বিক মঞ্চে নতুন রেকর্ডের জন্ম দিয়েছে:
২০২৬ বিশ্বকাপের দ্রুততম: ম্যাচ শুরুর মাত্র ৬৪ সেকেন্ডে করা এই গোলটি এখন পর্যন্ত ২০%;">২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল।
প্যারাগুয়ের ইতিহাসে দ্বিতীয়: বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি প্যারাগুয়ের জন্য দ্বিতীয় দ্রুততম গোল। এর আগে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ৫৪ সেকেন্ডে গোল করে প্যারাগুয়ের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের রেকর্ডটি নিজের করে রেখেছিলেন সেলসো আয়ালা।
মন্তব্য করুন