দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Oct 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস: দেশে চিকিৎসাসেবার বাইরে ৯২ শতাংশ রোগী

০ শেয়ার
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস: দেশে চিকিৎসাসেবার বাইরে ৯২ শতাংশ রোগী

১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে উঠে এলো দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার চরম ঘাটতির চিত্র। প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮.৭ শতাংশ মানসিক রোগে আক্রান্ত হলেও ৯২ শতাংশই রয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসার বাইরে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও আজ ১০ অক্টোবর উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস।
  • এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে,‘জীবনের অভিজ্ঞতার কণ্ঠস্বর শুনি: সত্যিকারের কণ্ঠ, সত্যিকারের পরিবর্তন।
  • ’ দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত পরিসংখ্যান এক আশঙ্কাজনক ও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে।

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও আজ ১০ অক্টোবর উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে,‘জীবনের অভিজ্ঞতার কণ্ঠস্বর শুনি: সত্যিকারের কণ্ঠ, সত্যিকারের পরিবর্তন।’ দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত পরিসংখ্যান এক আশঙ্কাজনক ও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে। দেশে প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর প্রায় ১৮.৭ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ১২.৬ শতাংশ মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেও, তাদের মধ্যে মাত্র ৮ শতাংশ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন। ফলে বিশাল এই জনসংখ্যার প্রায় ৯২ শতাংশ রোগীই রয়ে যাচ্ছেন যেকোনো ধরনের চিকিৎসা ও মানসিক পরামর্শের সম্পূর্ণ বাইরে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে উদ্বেগজনিত রোগের হার ৮.৯ শতাংশ এবং বিষণ্নতায় ভুগছেন ৬.৭ শতাংশ মানুষ। শিশু-কিশোরদের মধ্যেও নিউরোডেভেলপমেন্টাল ও উদ্বেগজনিত ব্যাধি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। কিন্তু এই ব্যাপ্তির তুলনায় চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা এখনো চরম ঘাটতিতে জর্জরিত। ১৭ কোটির বেশি জনসংখ্যার বিপরীতে দেশে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মাত্র ৩৮০ জন, অর্থাৎ প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য বিশেষজ্ঞের সংখ্যা ০.১৯ জন। দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মূলত রাজধানী ও বিভাগীয় শহরকেন্দ্রিক হওয়ায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দক্ষ জনবল, বিশেষায়িত পরিকাঠামো ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকট রয়ে গেছে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবার ও সমাজে মানসিক রোগ সম্পর্কিত সচেতনতার অভাব এবং চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রগুলোর অপ্রতুলতার কারণেই সিংহভাগ রোগী সময়মতো সেবা পান না। বংশগত বা জৈবিক কারণের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রের চাপ, আর্থিক অনিশ্চয়তা, একাকিত্ব এবং ডিজিটাল আসক্তির মতো মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিষয়গুলো মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে মনোরোগ চিকিৎসাকে যুক্ত করা না গেলে এবং মানসিক রোগ নিয়ে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না হলে ৯২ শতাংশের এই বিশাল সেহাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে মূলধারার চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হবে না।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

নবম পে-স্কেল গেজেট প্রকাশ ও নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে বড় আপডেট

2

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে দুই বছরের কারাদণ্ড

3

আর্জেন্টিনা বনাম ফ্রান্স: ফুটবলের নতুন ধ্রুপদী লড়াই ও অলিম্পিক উত্তেজনা

4

৫ আগস্টের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়, আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

5

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনা: তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ চেয়ে তদন্ত কমিটির গণবিজ্ঞপ্তি

6

এমবাপ্পের জোড়া গোল ও ওলিসের জাদুতে সুইডেনকে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স

7

স্থানীয় সরকার বিভাগে সব ধরনের দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিতের নির্দেশ

8

মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ

9

হার্ট অ্যাটাকের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে কার্ডিওপালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন কেন জরুরি

10

Bhooth Bangla movie review : অক্ষয় কুমার ও প্রিয়দর্শনের নতুন হরর-কমেডি ধামাকা