দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

মাদক নিরাময় কেন্দ্রের আড়ালে আদম তমিজী হককে বন্দিশালা বানানোর চাঞ্চল্যকর তথ্য

০ শেয়ার
মাদক নিরাময় কেন্দ্রের আড়ালে আদম তমিজী হককে বন্দিশালা বানানোর চাঞ্চল্যকর তথ্য
হারুন অর রশীদ। ফাইল ছবি

সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে ব্যবসায়ী আদম তমিজী হককে কারাগারে না পাঠিয়ে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে আটকে রেখে অর্থ আদায়ের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
  • ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে হক গ্রুপের কর্ণধার ও ব্যবসায়ী আদম তমিজী হককে গ্রেফতারের পর প্রচলিত নিয়মে কারাগারে না পাঠিয়ে রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে বন্দি করে রাখার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
  • শুধু তাই নয়, তাকে জোরপূর্বক মানসিক রোগী প্রমাণের ব্যর্থ চেষ্টার পাশাপাশি তার পরিবারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্যও সামনে এসেছে।

সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে হক গ্রুপের কর্ণধার ও ব্যবসায়ী আদম তমিজী হককে গ্রেফতারের পর প্রচলিত নিয়মে কারাগারে না পাঠিয়ে রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে বন্দি করে রাখার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, তাকে জোরপূর্বক মানসিক রোগী প্রমাণের ব্যর্থ চেষ্টার পাশাপাশি তার পরিবারের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্যও সামনে এসেছে।

২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লাইভ করার জেরে ডিবি পুলিশের নজরে আসেন আদম তমিজী হক। এরপর তাকে গ্রেফতার করা হলেও আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর পরিবর্তে 'বীকন পয়েন্ট' নামের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাকে সাধারণ রোগীর মতো নয়, বরং বিশেষ ব্যবস্থায় একটি সম্পূর্ণ ফ্লোর ফাঁকা রেখে একান্তে বন্দি রাখা হয়েছিল। নিরাময় কেন্দ্রটি এই অবৈধ আটকে রাখার বিনিময়ে নিয়মিত বড় অঙ্কের সার্ভিস চার্জ আদায় করত। এমনকি তমিজীকে মানসিক রোগী হিসেবে সাজাতে বাইরে থেকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডেকে আনা হলেও চিকিৎসকরা সেই সার্টিফিকেট দিতে অস্বীকৃতি জানান। চিকিৎসকদের ওপর তৎকালীন ডিবি প্রধানের অনুসারী ও নিরাময় কেন্দ্রের কর্মকর্তারা বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করলেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র জানিয়েছে, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকায় ডিবি হারুন এ ধরনের বহু বেআইনি কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতেন। শুধু তমিজী হক একা নন, রাজধানীতে গড়ে ওঠা অনেক নিরাময় কেন্দ্র বিভিন্ন পারিবারিক বিরোধ, সম্পত্তি দখল কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সুস্থ মানুষকে জোরপূর্বক আটকে রেখে নির্যাতন ও চাঁদাবাজির নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছিল। প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ঘটে যাওয়া এসব ঘটনার সুনির্দিষ্ট তথ্য ও ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে নিরাময় কেন্দ্রগুলোর আড়ালে চলা অন্ধকার জগতের ভয়ংকর চিত্র এখন সবার সামনে উন্মোচিত হচ্ছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

vivo X500 Pro Max: ৮,০০০mAh ব্যাটারি ও ২০০MP ZEISS ক্যামেরায় নতুন চমক

2

ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন: আরও ৫০ পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা

3

চুম্বনের দৃশ্য ছাড়াই ১০০ কোটির ক্লাবে ইমরান হাশমির ‘আওয়ারাপান ২’

4

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা: ১০ কর্মদিবসের মধ্যে অ্যাডহক কমিটি গঠন

5

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অস্থির বিশ্ব জ্বালানি খাত, নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা

6

প্রান্তিক মানুষের নাগালে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: মির্জা ফখরুল

7

প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত ও নৃত্যকলাসহ ৪ বিষয়

8

আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উঠছে আজ

9

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিভ্রান্তি: করণিক ভুল সংশোধনের নির্দেশ বিদ্যুৎ বিভাগের

10

র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ বা টিএফআই সেল পরিদর্শন করলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ৩ বিচারক