বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তসহ ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
গত ২৮ ও ২৯ জুন বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে একাধিক মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটিতে গত কয়েক ঘণ্টায় ভূকম্পনজনিত বেশ কিছু সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে।
সবশেষ ২৯ জুন রাত ১টা ৪০ মিনিটে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে ৩ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের লঙডিং এলাকা থেকে দক্ষিণ-পূর্বে। এর আগে ২৮ জুন রাত ৯টা ৫৩ মিনিটে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ৩৩৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা।
ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার পরপরই স্থানীয় জনমনে উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া, সোমবার (২৯ জুন) সকালে ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের হোমালিন অঞ্চল এবং মণিপুরের কাছে আঘাত হানে, যা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতেও মৃদুভাবে অনুভূত হয়েছে।
ভূ-তাত্ত্বিকবিদরা জানিয়েছেন, এই অঞ্চলগুলো সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রায়ই মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হওয়া স্বাভাবিক। কোনো ধরনের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর না পাওয়া গেলেও, জরুরি অবস্থায় সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।