|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 11, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

১৮টি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন-মিসাইল হামলা

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন এক চরম ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের রূপ ধারণ করেছে। দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বিমান হামলার জবাবে এবার সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ও ঘাঁটিতে একযোগে সমন্বিত ও বিধ্বংসী পালটা হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং দেশটির সেনাবাহিনী। এই হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের (Fifth Fleet) অত্যন্ত সুরক্ষিত সদরদপ্তরও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে তেহরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে প্রকাশিত পৃথক বিবৃতিতে ইরানের এই দুই শীর্ষ সামরিক শক্তি এই সাড়া জাগানো অভিযানের ঘোষণা দেয়।

আইআরজিসির দেওয়া তথ্যমতে, তাদের মহাকাশ ও নৌবাহিনী যৌথভাবে দুই দফায় এই বড় ধরনের সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছে। হামলায় বিশেষ করে কুয়েতের আলী আল-সালেম ও আহমাদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিসহ মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) মোট ১৮টি কৌশলগত পয়েন্টকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ইরানের সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, বিস্ফোরকবাহী ঝাঁক ঝাঁক ড্রোন ব্যবহার করে বাহরাইনের মার্কিন নৌ-সদরদপ্তরে নিখুঁত আঘাত হানা হয়েছে। এই অভিযানে মার্কিন বাহিনীর গর্ব ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত রাডার ও যোগাযোগ অ্যান্টেনাকে অকেজো করে দেওয়ার দাবি করেছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক অপারেশনাল কমান্ড ইউনিট ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ‘আগ্রাসীর শাস্তি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত’ তাদের এই প্রতিরোধ লড়াই থামবে না।

মার্কিন বিমান বাহিনীর বোমাবর্ষণ দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশসহ বিভিন্ন এলাকায় অব্যাহত থাকার মাঝেই ইরান বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেওয়ার চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর থেকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এক জরুরি সামরিক বিজ্ঞপ্তিতে তেহরান জানিয়েছে, "চলতি মুহূর্ত থেকে আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতা ও মার্কিন আগ্রাসনের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করা হলো। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো তেলবাহী ট্যাংকার বা বাণিজ্যিক জাহাজ এই জলপথে প্রবেশ করলে তাকে সরাসরি সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে।" ইরানের এই একটি ঘোষণায় বিশ্বব্যাপী খনিজ তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

1

পাথরঘাটা থানার ওসিকে প্রত্যাহার

2

সর্বক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হওয়া উচি

3

হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার ইনু ও মেনন

4

নড়াইলে চিত্রা নদীতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু, অন্যজন এখনও নিখোঁজ

5

বিদ্যুৎমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য: এমপি আমির হামজার

6

বিশ্বকাপের মঞ্চে রূপকথার সমাপ্তি, তবুও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকল ক

7

দুবাই কারাগার থেকে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চূড়

8

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে’ লিপ্ত রয়েছে: প্

9

হংকংয়ে জুভেন্টাসের বিপক্ষে চেলসির প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যা

10

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তে বিদ্যুৎ বিভাগের কঠোর নি

11

নির্বাচনী সংস্কারে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিচ্ছে নির

12

পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের সূচি প্রকাশ, লড়বে পাক

13

করিতিবা বনাম শাপেকোয়েঁস ম্যাচ: ভিএআর নাটক ও খেলোয়াড়ের ইনজুর

14

বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নিয়ে ফ্রান্সের মুখোমুখি মরক্কো

15

ইউ-ভিসার লোভে সাজানো ডাকাতি: যুক্তরাষ্ট্রে ১১ অভিবাসীর চাঞ্চ

16

বিশ্বকাপের মাঝপথে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র দলের দুই কর্মকর্তা

17

তীব্র গরম তাড়াতে আর্জেন্টিনার ‘কুলিং ভেস্ট

18

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে স্বস্তির চেয়ে নেতিবাচক প্রবণতাই বেশি—স

19

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞে নিহত ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত

20