দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 26, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিল সীমান্ত

০ শেয়ার
রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিল সীমান্ত

রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিদের বন্ধু সীমান্ত আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। ইয়াবা সেবনের বিবরণে আসামিদের সঙ্গে তার মিল পাওয়া গেছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ একই পরিবারের চারজনকে নির্মমভাবে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এবার আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন সীমান্ত চন্দ্র দাস নামের এক যুবক।
  • এই মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু হলো এই সীমান্ত।
  • মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, হত্যাকাণ্ডের রাতে আসামিরা সীমান্তের বাসায় বসে ইয়াবা সেবন করেছিল বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছিল এবং আদালতে দেওয়া সীমান্তের বর্ণনার সঙ্গে সেই তথ্যের পুরোপুরি মিল পাওয়া গেছে।

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ একই পরিবারের চারজনকে নির্মমভাবে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এবার আদালতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন সীমান্ত চন্দ্র দাস নামের এক যুবক। এই মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু হলো এই সীমান্ত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, হত্যাকাণ্ডের রাতে আসামিরা সীমান্তের বাসায় বসে ইয়াবা সেবন করেছিল বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছিল এবং আদালতে দেওয়া সীমান্তের বর্ণনার সঙ্গে সেই তথ্যের পুরোপুরি মিল পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে এই জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

নগরের মাছুয়াপাড়া বা দাসপাড়া এলাকার সুবাস চন্দ্র দাসের ছেলে সীমান্ত পেশায় একটি কাপড়ের দোকানের বিক্রয় প্রতিনিধি। তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান যে সীমান্ত স্বেচ্ছায় তার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে সাক্ষ্য দিয়েছে। এর আগে পুলিশ কমিশনার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন যে হত্যাকাণ্ডের রাতে ওই দুই আসামি সীমান্তের বাসায় গিয়ে মাদক সেবন করেছিল। এদিকে আসামিদের ডোপ টেস্টের জন্য ইতোমধ্যে আদালতে আবেদন করা হয়েছে এবং মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করার পর বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে ন্যস্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে রংপুরের বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের সবাইকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিত করেছে। এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় তরুণ মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে আটক করে এবং তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়। শিক্ষক পরিবারের এই চার সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গোটা দেশজুড়ে তীব্র শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ইরানের কট্টরপন্থি এমপি হামিদ রেজাই কারাবাস

2

বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের জয়, মেতেছে পুরো দেশ

3

অভিনয়ে বিরতির পর যেভাবে যমজ সন্তানদের সামলাচ্ছেন অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু

4

ইতালির কোচ হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিয়ে ক্ষমা চাইলেন রবার্তো মানচিনি

5

সব নাগরিককে বাংলা কিউআর পেমেন্টের আওতায় আনা হবে

6

টেস্টে ৩৫০ উইকেট: রবীন্দ্র জাদেজার অনন্য মাইলফলক ও নতুন রেকর্ড

7

নির্বাচনে হেরে গেলে কি ফলাফল মানবেন ট্রাম্প?

8

দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেকর্ড ১৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ

9

এনএসআই কর্মীদের বিশেষ ভাতা বাড়াল সরকার

10

অকল্যান্ড এফসিকে হারিয়ে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শুরু করল টটেনহ্যাম হটস্পার