দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Sep 29, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

বিক্রির অপেক্ষায় ৩৫ বেডরুমের সেই বিখ্যাত ‘হন্টেড প্যালেস’

০ শেয়ার
বিক্রির অপেক্ষায় ৩৫ বেডরুমের সেই বিখ্যাত ‘হন্টেড প্যালেস’

বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত ও রহস্যময় গল্পে ঘেরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাহর ‘আল কাসিমি প্যালেস’ বা হন্টেড প্যালেস এবার বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা এবং নানা রহস্যময় গল্পে ঘেরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাহর বিখ্যাত ‘আল কাসিমি প্যালেস’ বা হন্টেড প্যালেস এবার নতুন মালিকের সন্ধানে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে।
  • আসবাবপত্র ও পুরোনো নিদর্শনসহ ৩৫ বেডরুমের এই বিশাল প্রাসাদটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ দিরহাম।
  • সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা এবং নানা রহস্যময় গল্পে ঘেরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাহর বিখ্যাত ‘আল কাসিমি প্যালেস’ বা হন্টেড প্যালেস এবার নতুন মালিকের সন্ধানে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। আসবাবপত্র ও পুরোনো নিদর্শনসহ ৩৫ বেডরুমের এই বিশাল প্রাসাদটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ দিরহাম। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

১৯৮৫ সালে রাস আল খাইমাহর শাসক পরিবারের সদস্য প্রয়াত শেখ আবদুল আজিজ বিন হুমাইদ আল কাসিমি প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন। ইরান, মরক্কো, ভারত ও চীনের দক্ষ কারিগরদের নিপুণ নকশা ও নান্দনিক সাজসজ্জায় নির্মিত এই প্রাসাদের সুদৃশ্য মোজাইক, টাইলস এবং দেয়ালচিত্র বেশ আকর্ষণীয়। তবে নির্মাণের পর প্রায় ৩৫ বছর এটি সম্পূর্ণ খালি ও পরিত্যক্ত থাকায় সেখানে অদ্ভুত শব্দ শোনা বা রহস্যময় আলো জ্বলার মতো নানা অতিপ্রাকৃত গুজব ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ভবনটি ‘হন্টেড প্যালেস’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। যদিও এসব ভূতুড়ে ঘটনার পেছনে কোনো বাস্তব সত্যতা নেই। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে এটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয় এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৪২ বর্গফুট জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ৩৩ হাজার ৮২৭ বর্গফুট আয়তনের এই প্রাসাদের দ্বিতীয় তলায় রয়েছে একটি বড় সাদা পিরামিড আকৃতির কাঠামো ও আটটি বেডরুম। এছাড়া তৃতীয় তলায় রয়েছে রাশিচক্রের প্রতীক আঁকা একটি অনন্য ছাদ এবং সুবিশাল ক্রিস্টাল ঝাড়বাতি। আসবাবপত্র ছাড়া এর দাম ২ কোটি ২৫ লাখ এবং সব আসবাব ও পুরোনো সংগ্রহসহ ২ কোটি ৩৫ লাখ দিরহাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্য, ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কয়েকজন ক্রেতা এটি ক্রয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটির ওপর কোনো ‘হেরিটেজ রেস্ট্রিকশন’ না থাকায় নতুন মালিক নিজের পছন্দমতো এটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করতে পারবেন।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ইরানে ট্রেন ভ্রমণে ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা: বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার শঙ্কা

2

২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের

3

ভোররাতের নাটোরে বাস ও ট্রাকের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪, আহত ৩২

4

জয়পুরহাটের মাদারগঞ্জ দুর্গা মন্দির: প্রতিমায় পৌরাণিক কাহিনী

5

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের অধিকার নেই: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের

6

জিটিএ ৬ গেমপ্লে ও ম্যাপ লিক: ডিএমসিএ স্ট্রাইকের কারণে বাড়ল সত্যতার গুঞ্জন

7

ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রে মার্কিন হামলা

8

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার হুমকি ট্রাম্পের, টানা ১১তম রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা

9

নেপালের পাহাড়ি ঢলে ভারতে হাই অ্যালার্ট: বিহারে প্রবেশ করছে বিপুল জলরাশি

10

নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ চালুর ঘোষণা