দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Sep 17, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ফিক্সিং কাণ্ডে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

০ শেয়ার
ফিক্সিং কাণ্ডে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফিক্সিং ও দুর্নীতির তদন্তে আইসিসি কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকসহ দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক নিষিদ্ধ করেছে বিসিবি।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর ঘিরে চলমান ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে নতুন করে আরও দুই কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে।
  • সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের দুজনকে সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
  • এক অফিসিয়াল সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর ঘিরে চলমান ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে নতুন করে আরও দুই কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের দুজনকে সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এক অফিসিয়াল সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোড ফর পার্টিসিপ্যান্টসের একাধিক ধারা লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ ও মো. আমিন খানের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের মধ্যে মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ বিপিএলের ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অন্যদিকে মো. আমিন খান ১১তম আসরে দুর্বার রাজশাহী এবং ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম অফিসিয়াল তথা অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে যুক্ত ছিলেন। বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের নিবিড় তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকা, দুর্নীতির তথ্য সময়মতো গোপন রাখা, অ্যান্টি-করাপশন তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্ত প্রক্রিয়া বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত করার মতো একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোডের ২.১.১, ২.৪.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা ও তদন্তে অসহযোগিতাও রয়েছে। অন্যদিকে মো. আমিন খানের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে বলা হয়েছে যে তিনি ম্যাচ ফিক্সিংয়ে প্ররোচনা, তদন্তে বাধা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। নিয়মানুযায়ী, অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে আনীত অভিযোগের লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য আগামী ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এর আগে বিপিএলের দুর্নীতি ও ফিক্সিং কাণ্ড খতিয়ে দেখতে বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন বিভাগ আরও বেশ কয়েকজন ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ছাগল বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু

2

চুয়াডাঙ্গা জেলায় ডিসি ও চার উপজেলার ইউএনও পদেও দায়িত্ব পালন করছেন নারী কর্মকর্তারা

3

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি: থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

4

ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াতেন চীন-রাশিয়া-তুরস্ক: ট্রাম্পের দাবি

5

মূলধন সংকটে বন্ধের মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জনতা ব্যাংকের চার শাখা

6

বন্দর আব্বাসে মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

7

দেশে হামের প্রকোপ অব্যাহত: ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু ও নতুন আক্রান্ত ১২৩২

8

রামেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

9

ইরান সমঝোতায় মরিয়া: দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের

10

রোহিত শর্মার অবসরের গুঞ্জন নাকচ করল বিসিসিআই: ওয়ানডেতে তিনিই ভরসা