দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 8, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস রোগ কেন ছড়ায়, লক্ষণ এবং প্রতিরোধের কার্যকরী উপায়

০ শেয়ার
চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস রোগ কেন ছড়ায়, লক্ষণ এবং প্রতিরোধের কার্যকরী উপায়

ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াবাহিত চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী এই রোগের লক্ষণ, ছড়ানোর কারণ এবং প্রতিরোধের বিস্তারিত জেনে নিন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • অফিস কিংবা কর্মক্ষেত্রে ‘চোখ ওঠা’ বা কনজাংটিভাইটিস রোগটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা পুরো পরিবেশের জন্যই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
  • ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির সঙ্গে আলাপকালে ভারতের শারদাকেয়ার-হেলথসিটি হাসপাতালের অফথালমোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. পনিন্দর কুমার ডোগরা জানান, ভাইরাসবাহিত ও ব্যাকটেরিয়াবাহিত চোখ ওঠা অত্যন্ত ছোঁয়াচে।
  • সাধারণত সংক্রামিত হাত, ব্যবহৃত জিনিসপত্র বা চোখের তরলের মাধ্যমে এই রোগ দ্রুত ছড়ায়।

অফিস কিংবা কর্মক্ষেত্রে ‘চোখ ওঠা’ বা কনজাংটিভাইটিস রোগটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা পুরো পরিবেশের জন্যই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির সঙ্গে আলাপকালে ভারতের শারদাকেয়ার-হেলথসিটি হাসপাতালের অফথালমোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. পনিন্দর কুমার ডোগরা জানান, ভাইরাসবাহিত ও ব্যাকটেরিয়াবাহিত চোখ ওঠা অত্যন্ত ছোঁয়াচে। সাধারণত সংক্রামিত হাত, ব্যবহৃত জিনিসপত্র বা চোখের তরলের মাধ্যমে এই রোগ দ্রুত ছড়ায়। অফিসের কিবোর্ড, মাউস, টেলিফোন বা লিফটের বোতামের মতো কমন জিনিসপত্র শেয়ার করার কারণে জীবাণু খুব সহজেই সহকর্মীদের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে।

কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা কী? চোখের সাদা অংশ এবং চোখের পাতার ভেতরের দিকের পাতলা, স্বচ্ছ পর্দাকে ‘কনজাংটিভা’ বলা হয়। এই পর্দাটিতে প্রদাহ হলে চোখ লাল বা গোলাপি বর্ণ ধারণ করে, যা সাধারণ ভাষায় চোখ ওঠা নামে পরিচিত। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, অ্যালার্জি কিংবা ধোঁয়া-ধূলোবালির কারণে এটি হতে পারে। তবে এর মধ্যে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখ ওঠাই মূলত ছোঁয়াচে।

অফিসে যেভাবে রোগটি ছড়ায়:

  • সংক্রামিত চোখের তরল বা হাত দিয়ে কমন জিনিসপত্র (কিবোর্ড, মাউস, দরজার হাতল ইত্যাদি) স্পর্শ করার মাধ্যমে।

  • তোয়ালে, রুমাল, টিস্যু পেপার, চোখের মেকআপ বা কন্ট্যাক্ট লেন্স শেয়ার করলে।

  • ভাইরাসের তীব্রতার কারণে হাঁচি বা কাশির জলকণা থেকেও এটি ছড়াতে পারে।

প্রধান লক্ষণসমূহ:

  • চোখ লাল বা গোলাপি হওয়া এবং অনবরত পানি পড়া।

  • চুলকানি, জ্বালাপোড়া করা এবং চোখে কিছু পড়ার অনুভূতি হওয়া।

  • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া এবং চোখ থেকে পিছুটি বা আঠালো তরল নির্গত হওয়া (ব্যাকটেরিয়াজনিত কারণে ঘন হলুদ বা সবুজ পিছুটি হতে পারে)।

প্রতিরোধের উপায়: ১. ঘন ঘন হাত ধোয়া: সাবান ও পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। ২. চোখে হাত না দেওয়া: না জেনে চোখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ৩. জিনিসপত্র জীবাণুমুক্ত রাখা: ডেস্ক, কিবোর্ড, মাউস ও ফোনের মতো ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ৪. ব্যক্তিগত জিনিস আলাদা রাখা: তোয়ালে, প্রসাধনসামগ্রী বা আই ড্রপ কখনোই অন্যের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। ৫. আক্রান্ত হলে ঘরে থাকা: রোগাক্রান্ত হলে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ঘরেই অবস্থান করা উচিত।

তীব্র ব্যথা, দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হওয়া বা আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

সরকারের শেয়ার বিক্রির ঘোষণায় ৮ শতাংশ পতন এলআইসি শেয়ারে

2

বরিশালে পুলিশের তাড়া খেয়ে আ.লীগ নেতার মৃত্যু

3

হাটহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, ভাঙচুর

4

ঝুঁকি সত্ত্বেও ডিসেম্বরেই দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার: ‘গ্রেফতার বা হত্যা করা হলেও আমি ফিরব’

5

বলিউড অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী: শীর্ষে থেকেও প্রেমের জন্য যেভাবে হারিয়ে যান তিনি

6

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের নতুন কৌশল ও পথনকশা

7

ডারউইনে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন

8

হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা: বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বর্তমান পরিস্থিতি

9

৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস

10

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফিরে পেতে সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়