ভারতের ঝাড়খণ্ডে ফসলের মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে আসাম ও কেরালায় বন্যা ও ভূমিধসে বাড়ছে প্রাণহানি।
ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে মৌসুমী বৃষ্টির সময়ে সংঘটিত আকস্মিক বজ্রপাতে অন্তত ১৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনই গিরিডিহ জেলার কৃষক, যারা খোলা মাঠে ফসলের ক্ষেতে কাজ করার সময় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ঘটা এই আকস্মিক বজ্রপাতে আরও সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আগামী দিনগুলোতেও এই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর আগে ২০২৫ সালে কেবল ঝাড়খণ্ডেই বজ্রঝড় ও বজ্রপাতে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল, যা স্থানীয় প্রশাসনের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলেও মৌসুমী বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। চলতি বছরের ভারী বর্ষণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে, যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরালা রাজ্যেও অবিরাম বর্ষণ ও ভূমিধসে অন্তত ১৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ বিতরণ এবং উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে আবহাওয়ার পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।