|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 9, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

গঙ্গা চুক্তির গুরুত্ব ভারত বুঝতে পারবে বলে আশাবাদী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারত-বাংলাদেশ মধ্যকার ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ হতে চলেছে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে থাকায় এর নবায়ন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে ভারত এ চুক্তির গুরুত্ব এবং পানির প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বৃহত্তর স্বার্থে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে আলোচনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সব কিছু প্রকাশ্যে আসার মতো নয়। গঙ্গা চুক্তির গুরুত্বের বিষয়টি বিবেচনা করেই উভয় দেশ কাজ করছে। শামা ওবায়েদ আরও বলেন, "আমরা মনে করি বিষয়টি ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে। আমাদের যে যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) টিম প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেছেন, তারা ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।" ভারত গঙ্গা চুক্তির প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারবে এবং সেই অনুযায়ী এগিয়ে আসবে—এমনটিই প্রত্যাশা বাংলাদেশের।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা ভারত গুরুত্বসহকারে দেখবে বলে বিশ্বাস করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। মূলত ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের দিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা। পানি বণ্টনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের যে কাঠামো রয়েছে, তা এই চুক্তির মাধ্যমে আরও সুসংহত হবে বলে সরকার মনে করে। এ বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, এটি ব্যাখ্যা করার পর্যায়ে নেই, তবে আলোচনার ধারা দেখে তিনি বর্তমান প্রক্রিয়াটি নিয়ে আশাবাদী।

প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে যে, বাংলাদেশ সরকার তিস্তা বা অন্যান্য নদীর মতো গঙ্গা চুক্তি নিয়েও ভারত সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চায়। এখন দেখার বিষয়, ভারতের পক্ষ থেকে নবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বা সম্মতি কখন ও কীভাবে আসে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েন কমাতে এবং সীমান্তে পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে এই চুক্তির নবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশেরই এখন মূল লক্ষ্য হলো দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো, যা দুই দেশের মানুষের উপকারে আসবে এবং দীর্ঘমেয়াদী সংকটের অবসান ঘটাবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাশিয়ার মাউন্ট এলব্রাসে তীব্র ঝড়: আটকা পড়ে পাঁচ বসনীয় পর্বত

1

পাকিস্তান সফরে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

2

শতবর্ষের রেকর্ড ভেঙে দক্ষিণ কোরিয়ায় তাপমাত্রা পৌঁছাল ৪২.৫ ড

3

বিএনপি সরকারের বাজেটে জুলাই আন্দোলনের স্বীকৃতি

4

আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দিলেন তামিমা: ক্রিকেটার নাসিরসহ নিজেদের

5

বগুড়ায় সংস্কারকৃত হেলিপ্যাডে সেনাপ্রধানের প্রথম অবতরণ

6

মাঠে ফিরে জোড়া গোল ও পোকার উদযাপনে সমালোচকদের জবাব দিলেন নেই

7

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড, মামলার বিস্তারিত

8

গ্রিন লাইসেন্স ছাড়া শিপ রিসাইক্লিং নয়, কঠোর বার্তা শিল্প ও ব

9

ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াতেন চীন-রাশিয়া-তুরস্ক: ট্রাম্পের দাবি

10

টুথপেস্টের পর এবার সয়াবিন তেলেও মিলল ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টি

11

১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ

12

ইরান আন্তরিক হলে ওয়াশিংটন যেকোনো আলোচনায় প্রস্তুত: মার্কো রু

13

ব্র্যাডম্যানের মতোই ব্যাটিং করেন সূর্যবংশী’

14

যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা ভুল, ভেনেজুয়েলার মতো সহজে হার মানবে না

15

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার কর

16

ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া লাইভ স্কোর, একাদশ ও প্রেডিকশন ২০

17

ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেরি কাউন্টিতে ব্রাইসন ফায়ারের ইভাকুয়েশ

18

শোবারঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন নয়: রামদেবের মন্তব্যের কড়া জবাব কঙ্গ

19

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৪৩ বস্তা টাকা: রেকর্ড ভাঙার পথে ঐতিহ

20