দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

জামের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

০ শেয়ার
জামের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা
ছবি: সংগৃহীত

টক-মিষ্টি স্বাদের গাঢ় বেগুনি রঙের ফল জামের রয়েছে অসাধারণ সব ঔষধি গুণ। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, হজমশক্তির উন্নতি ও পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষায় এর কার্যকারিতা জানুন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ শেষে বাজারে এখন দেখা মিলছে কুচকুচে কালো আর গাঢ় বেগুনি রঙের রসালো ফল জামের।
  • কেবল টক-মিষ্টি স্বাদের জন্যই নয়, বরং অসাধারণ সব ঔষধি গুণের কারণে ফলটি পুষ্টিবিদদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত।
  • আমাদের অবহেলায় অনেক সময় খাদ্যতালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়া এই ফলটি আসলে পুষ্টির এক বিশাল ভাণ্ডার।

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ শেষে বাজারে এখন দেখা মিলছে কুচকুচে কালো আর গাঢ় বেগুনি রঙের রসালো ফল জামের। কেবল টক-মিষ্টি স্বাদের জন্যই নয়, বরং অসাধারণ সব ঔষধি গুণের কারণে ফলটি পুষ্টিবিদদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। আমাদের অবহেলায় অনেক সময় খাদ্যতালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়া এই ফলটি আসলে পুষ্টির এক বিশাল ভাণ্ডার। ভারতীয় পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈনের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাত্র এক মুঠো বা ৮ থেকে ১০টি জাম রাখা স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারি হতে পারে।

ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা ও পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা

কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এবং বিশেষ কিছু বায়ো-অ্যাক্টিভ উপাদানের কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জাম একটি আদর্শ ফল। জাম খাওয়ার পর রক্তে হঠাৎ করে শর্করার মাত্রা বা সুগার স্পাইক বাড়ে না। এটি পাকস্থলী খালি হওয়ার প্রক্রিয়াকে কিছুটা ধীর করে দেয়, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ও হজমশক্তির উন্নতিতেও জামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার, যা প্রাকৃতিকভাবে পেট পরিষ্কার রাখতে ল্যাক্সেটিভ হিসেবে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। জামের ফাইবার আমাদের অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য জোগায় এবং শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরিতে সাহায্য করে, যা পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ ও সতেজ রাখে।

প্রদাহ উপশম ও জাম খাওয়ার সঠিক নিয়ম

জামের গাঢ় বেগুনি রঙের পেছনে রয়েছে ‘অ্যান্থোসায়ানিন’ নামক একটি শক্তিশালী উপাদান, যা শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এই উপাদানটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমাতে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা সচল রাখতে এবং বাতের ব্যথা ও জয়েন্ট ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা থেকে উপশম দিতে অত্যন্ত কার্যকর। জাম খাওয়ার সেরা সময় হলো দুপুরের মাঝামাঝি সময় বা বিকালের নাস্তা হিসেবে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, একদম খালি পেটে জাম খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত; কারণ এর ভেতরের ট্যানিন উপাদান সংবেদনশীল পাকস্থলীতে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে চলতি মৌসুমে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তত এক মুঠো জাম রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

ভিসার মেয়াদ শেষে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও মামলা

2

লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

3

হল থেকে শেখ মুজিবের নাম পরিবর্তন না করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট থেকে ডাকসু নেতাদের ওয়াকআউট

4

জাতিসংঘ সফর শেষ করে ঢাকার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

5

মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ: শপথ নিলেন টাঙ্গাইলের অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান

6

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে অচল ফ্রান্সের শিক্ষাব্যবস্থা, পুলিশে-ছাত্রে সংঘর্ষ

7

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: নিহত বেড়ে ৮

8

ইউসিবি ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬: কাস্টমার সার্ভিস অফিসার পদে চাকরির সুযোগ

9

‘বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়ে ভুক্তভোগী’ বলা সেই নারী ব্যবসায়ী সাথীর জামিন

10

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৫৪