নাইজেরিয়ার ওন্দো রাজ্যে সামরিক বাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৫ জন যাত্রী ও ৭ জন ক্রুসহ মোট ৩২ জনের সবাই নিহত হয়েছেন। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবু।
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় সামরিক বাহিনীর একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় বিমানটিতে থাকা ২৫ জন যাত্রী এবং ৭ জন পাইলট ও ক্রুসহ মোট ৩২ জনের সবাই নিহত হয়েছেন। গত সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ওন্দো রাজ্যে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এই প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবু।
প্রেসিডেন্ট তিনুবু তার বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিমানবাহিনীর প্রধান তাকে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। ঠিক কী কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা উদঘাটনে বিমানবাহিনীকে যত দ্রুত সম্ভব একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিমান দুর্ঘটনা রোধ করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
নাইজেরিয়ার বিমান চলাচল বিষয়ক মন্ত্রী ফেস্টাস কিয়ামো জানান, বিমানবাহিনীর একটি এটিআর-৪২ মডেলের উড়োজাহাজটি বেনিন সিটি থেকে লাগোসে যাওয়ার পথে একটি নিয়মিত মিশনে নিয়োজিত ছিল। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকক্ষের (এটিসি) হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর উপকূলীয় শহর ইগবোকোদার কাছে একটি নৌঘাঁটির সন্নিকটে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিমানটি যখন মাটিতে আছড়ে পড়ে, তখন তারা বজ্রপাতের মতো একটি বিকট শব্দ শুনতে পান। দুর্ঘটনাস্থলটি একটি নদীর নিকটবর্তী হওয়ায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষের কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। উদ্ধারকারীরা দুর্ঘটনাস্থল থেকে যাত্রীদের ছিন্নভিন্ন মরদেহ এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত সামগ্রী উদ্ধার করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাইজেরিয়ার ভূখণ্ডে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বড় এবং প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে এটিকে অন্যতম বলে বিবেচনা করা হ