২০২৬ সালের এইচএসসি ফলাফলে অকৃতকার্য ৫ লাখ ৯৪ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেবল ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়াংশেই ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এ বছর ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড করা হলেও ফেল করা বিষয়ে ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
প্রকাশিত ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল বিশদ বিশ্লেষণে অকৃতকার্য হওয়ার প্রধান দুটি কারণ হিসেবে সামনে এসেছে ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়। অকৃতকার্য মোট ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জনই কেবল এই দুই বিষয়ে ফেল করেছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে ফলাফলের এই সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষা দিয়েছেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী। পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। আর অকৃতকার্যদের মধ্যে এককভাবে ইংরেজি বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটি (ICT) বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন শিক্ষার্থী।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর সামগ্রিক পাসের হার নেমে এসেছে ৫২.১২ শতাংশে, যা ২০০৪ সালের (৪৭.৭৪%) পর অর্থাৎ বিগত ২১ বছরের ইতিহাস ও রেকর্ডে সর্বনিম্ন পাসের হার।
তবে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্বস্তির খবর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা যে কয়টি বিষয়াংশে অকৃতকার্য হয়েছেন, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে তাদের সেসব নির্দিষ্ট বিষয়াংশে পুনর্নির্বাচিত পরীক্ষা বা পুনরায় পরীক্ষা (Supplementary Exam) দেওয়ার বিশেষ সুযোগ দেওয়া হবে।