কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জবি উপাচার্য।
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে অবস্থিত ‘টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশের উচ্চশিক্ষাঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রসায়ন বিভাগের ১৫তম ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলাসহ তাঁর পরিবারের ছয়জন সদস্য। শিক্ষার্থীর এই আকস্মিক ও হৃদয়বিদারক প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ইনানীর ওই রিসোর্টে হঠাৎ করেই এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সেখানে থাকা পর্যটকদের অনেকেই আটকা পড়েন। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় জবি শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলাসহ তাঁর পরিবারের মোট ছয়জন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর অকালমৃত্যুতে তাঁর সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সাথে তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সমস্ত সদস্যের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার মতো ধৈর্য ও মানসিক শক্তি যেন পরিবারটি পায়, সে প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের ইনানীতে অপরিকল্পিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ওই রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শিশুসহ মোট ১০ জনের প্রাণহানির সংবাদ পাওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রিসোর্টটির পর্যাপ্ত নিরাপত্তা লাইসেন্স ছিল না এবং এর আগেই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এই মর্মান্তিক ট্র্যাজেডিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে।