দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 13, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটে ২২ কেজির বিরল ‘দাতিনা ভোল’ মাছ সাড়ে ৩ লাখে বিক্রি

০ শেয়ার
বাগেরহাটে ২২ কেজির বিরল ‘দাতিনা ভোল’ মাছ সাড়ে ৩ লাখে বিক্রি

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২২ কেজি ওজনের একটি দাতিনা ভোল মাছ। চড়া দামে বিক্রি হওয়া এই মাছটির পটকার আন্তর্জাতিক বাজারে রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • বাগেরহাটে ২২ কেজির ‘দাতিনা ভোল’ মাছ বিক্রি হলো সাড়ে ৩ লাখ টাকায়বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২২ কেজি ওজনের একটি বিরল প্রজাতির ‘দাতিনা ভোল’ মাছ।
  • কেজিপ্রতি ১৬ হাজার ১৩৬ টাকা ধরে মাছটি মোট ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় বাগেরহাটে বিক্রি হয়েছে।
  • বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মিরাজ হাওলাদারের আড়তে এই মাছটি বিক্রি করেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী।

বাগেরহাটে ২২ কেজির ‘দাতিনা ভোল’ মাছ বিক্রি হলো সাড়ে ৩ লাখ টাকায়

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২২ কেজি ওজনের একটি বিরল প্রজাতির ‘দাতিনা ভোল’ মাছ। কেজিপ্রতি ১৬ হাজার ১৩৬ টাকা ধরে মাছটি মোট ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় বাগেরহাটে বিক্রি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মিরাজ হাওলাদারের আড়তে এই মাছটি বিক্রি করেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী।

এর আগে গত ১১ আগস্ট বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের জেলে ইলিয়াস হোসেনের মালিকাধীন ‘এফবি মায়ের দোয়া’ নামের ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। ট্রলারের মালিক ও মাঝি ইলিয়াস হোসেন জানান, সাগরের আবহাওয়া খারাপ থাকায় আশানুরূপ ইলিশ ধরা পড়ছিল না। তাই বাড়ি ফেরার ঠিক আগমুহূর্তে সাগরে জাল ফেলা হয় এবং রাতে সেই জাল তোলার পরই এই বিশাল ভোল মাছটি পাওয়া যায়।

মাছটির ক্রেতা ও ব্যবসায়ী হারুন মীর জানান, দাতিনা ভোল মাছের মণ সাধারণত ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সেই হিসাব অনুযায়ী তিনি ২২ কেজি ওজনের মাছটি সাড়ে তিন লাখ টাকায় কিনেছেন। মাছটি পচন থেকে রক্ষা করতে বরফ দিয়ে প্রথমে বড় মোকামে এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রামে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার। এই ব্যবসা থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

উপকূলীয় মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী জানান, অনেক বছর পর সাগরে এত বড় আকৃতির দাতিনা ভোল মাছ ধরা পড়ল। তবে ছোট জাল ফেলার কারণে অনেক সময় ছোট ভোল মাছও নষ্ট হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। মাছ ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, চীন ও থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এই মাছের পটকার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মূলত ওষুধ প্রস্তুত, সার্জিক্যাল থ্রেড তৈরি এবং প্রসাধনী শিল্পে এই পটকা ব্যবহার করায় মাছটির দাম এত বেশি হয়ে থাকে। এই আকস্মিক বিক্রিতে স্থানীয় জেলের পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

শুভমান গিলের বিশ্বরেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিল ভারত

2

এআইচালিত নতুন 'জাম-২.০' টর্পেডোর সফল পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া

3

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

4

মন্ত্রীকে না জানিয়ে খাদ্যগুদাম পরিদর্শন, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলেন এপিএস

5

নতুন ধারার চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী ও শান্তা ফারজানাসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

6

লা লা ল্যান্ডের ১০ বছর পূর্তি: রায়ান গসলিংয়ের ইচ্ছায় সংশোধন হলো পুরোনো পোস্টারের ত্রুটি

7

ইরান আন্তরিক হলে ওয়াশিংটন যেকোনো আলোচনায় প্রস্তুত: মার্কো রুবিও

8

ওয়ানাড ভূমিধস: নিখোঁজ নির্মাণ ব্যবস্থাপকের মরদেহ উদ্ধার, মৃতের সংখ্যা ৮

9

সিরাজগঞ্জে আধুনিক ‘বিজনেস হাব’ ও তাঁত শিল্প প্রসারের ঘোষণা তাঁত বোর্ড চেয়ারম্যানের

10

দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে ঈদ উদ্‌যাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান