
ইরান সরকারকে আর্থিক সহায়তাদান এবং দেশটির ভেতরে ও বাইরে সম্পদ স্থানান্তরে ভূমিকা রাখার অভিযোগে কানাডাভিত্তিক আটটি মানি সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। মূলত ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এর আওতায় অর্ডারের অধীনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানি রিয়ালসহ নানা বৈশ্বিক মুদ্রার বিপরীতে ডিজিটাল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন পরিচালনা করত। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কয়েকটির বিরুদ্ধে ইরানের নিষেধাজ্ঞাভুক্ত বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ এবং দেশটির শক্তিশালী সামরিক শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে যুক্ত ঠিকানায় বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা আটটি প্রতিষ্ঠান হলো, ১. মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ ২. আমিন এক্সচেঞ্জ ৩. টপ পিসি টেকনিশিয়ান ৪. এনআইএ নেশনস কারেন্সি ৫. ফারাহ এক্সচেঞ্জ ৬. সিসিসি ইনকরপোরেটেড ৭. ক্রিপ্টয়াল ৮. দারভিশ এক্সচেঞ্জ
মার্কিন অর্থমন্ত্রকের দাবি অনুযায়ী, ফারাহ এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সংগৃহীত কয়েক মিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল সম্পদ কানাডার আরেক নিষেধাজ্ঞাভুক্ত শীর্ষ মাদক পাচারকারী রায়ান ওয়েডিংয়ের পেছনের ঠিকানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "ইরান সরকার কিংবা তাদের দোসরদের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর জন্য কানাডাকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল বানাতে দেওয়া হবে না। বিশ্বের যে প্রান্তেই অবৈধ আর্থিক লেনদেন হোক না কেন, তা নস্যাৎ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।"