
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে বাহেরান্দী এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে বাহেরান্দী জামে মসজিদ কমিটি গঠনের সময় মোশারফ ফকিরকে সভাপতি করা হয়। এর বিরোধিতা করেন স্থানীয় বাসিন্দা বাচ্চু মোড়ল, যিনি নিজেকে সভাপতি হিসেবে দাবি করে আসছিলেন। এই বিরোধের জেরে বাচ্চু মোড়ল ও সাবেক ইউপি সদস্য এমদাদ মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে এর আগেও কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সকালে বাচ্চু মোড়লের শতাধিক সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এমদাদ মাতুব্বরের লোকজনের বাড়িঘরে অতর্কিত হামলা চালান। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই তাণ্ডবে ঘরবাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে।
ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের লোকজন পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুললেও তা অস্বীকার করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ। তিনি জানান, এলাকায় মূলত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ চলছে। পুলিশ কোনো পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে এবং সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।