দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
Dhaka Files
প্রকাশ : Oct 12, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দিল্লিতে ১৩৩ ধারার অর্থ ও প্রয়োগ

০ শেয়ার
দিল্লিতে ১৩৩ ধারার অর্থ ও প্রয়োগ

ভারতের দিল্লিতে আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তায় ব্যবহৃত ১৩৩ ধারার প্রয়োগ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা। জানুন সিআরপিসি ১৩৩ ধারা ও ১৪৪ ধারার মূল পার্থক্য।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, সার্বিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনসাধারণের দৈনন্দিন ভোগান্তি কমাতে বিভিন্ন আইনি ধারা প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।
  • এর মধ্যে ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১৩৩ ধারা জনসাধারণের চলাচল ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি বা বিপজ্জনক এমন উপদ্রব দ্রুত দূর করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর এক প্রতিরোধমূলক বিধান।
  • সাধারণ মানুষের মনে ধারণা থাকতে পারে যে এটি কেবল বিক্ষোভ বা জনসমাবেশ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, তবে প্রকৃতপক্ষে জনস্বার্থ রক্ষা ও যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই এই ধারার মূল উদ্দেশ্য।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, সার্বিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনসাধারণের দৈনন্দিন ভোগান্তি কমাতে বিভিন্ন আইনি ধারা প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১৩৩ ধারা জনসাধারণের চলাচল ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি বা বিপজ্জনক এমন উপদ্রব দ্রুত দূর করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর এক প্রতিরোধমূলক বিধান। সাধারণ মানুষের মনে ধারণা থাকতে পারে যে এটি কেবল বিক্ষোভ বা জনসমাবেশ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, তবে প্রকৃতপক্ষে জনস্বার্থ রক্ষা ও যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই এই ধারার মূল উদ্দেশ্য।

ভারতের পুরোনো সিআরপিসির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী, ক্ষমতাপ্রাপ্ত জেলা বা সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট জনসাধারণের ব্যবহারের যেকোনো রাস্তা বা উন্মুক্ত স্থানে বেআইনি বাধা অপসারণের নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো ব্যবসা পরিচালনা বন্ধ রাখা, অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণকাজ স্থগিত করা, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ বা মেরামত করা কিংবা বিপজ্জনক কূপ ও প্রাণীর হাত থেকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারাবলে শর্তসাপেক্ষ আদেশ জারি করতে পারেন। তবে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ভারতে কার্যকর হওয়া নতুন ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ বা বিএনএসএস আইনে এই ১৩৩ ধারার সমতুল্য বিধানটি ১৫২ ধারা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সাধারণত ১৪৪ ধারা ও ১৩৩ ধারার মধ্যে অনেকেই ভুল গুলিয়ে ফেলেন, তবে দুটি আইনি প্রক্রিয়ার লক্ষ্য একেবারেই ভিন্ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ (বা নতুন ১৫২) ধারা মূলত দীর্ঘমেয়াদি বা জরুরি জনউপদ্রব ও শারীরিক ঝুঁকি দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে বহুল আলোচিত ১৪৪ ধারা (নতুন আইনের ১৬৩ ধারা) জরুরি পরিস্থিতিতে দাঙ্গা-হাঙ্গামা প্রতিরোধ, সম্ভাব্য অরাজকতা রোধ এবং শান্তি বজায় রাখতে নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা জারিতে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। আদেশ জারির পর কোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হলে আদালতে নিজের যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগও রয়েছে এই আইনি প্রক্রিয়ায়।

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

দেশে ৫ হাজার অবৈধ ইটভাটা: প্রতিমন্ত্রী

2

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ১, বিজিবির অভিযান

3

২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরে দীর্ঘ ছুটির হাতছানি: টানা ১০ দিন কাটানোর সুযোগ পাবেন চাকুরিজীবীরা

4

মারাকানায় বাহিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে পয়েন্ট হারাল ফ্লুমিনেন্স

5

৫-০ গোলের বিশাল জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল আর্জেন্টিনা

6

ভিকারুননিসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘিরে বুলিং, কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

7

সজলনয়নে রাজা সেনকে বিদায় টলিপাড়ার! বড়পর্দা থেকে তথ্যচিত্র

8

বায়ার্ন মিউনিখ বনাম জেজু ইউনাইটেড প্রীতি ম্যাচে প্রথমার্ধে ১-১ গোলের সমতা

9

এক যুগ পর প্রোটিয়া মাটিতে অজি ব্যাটার রেনশর সেঞ্চুরি

10

কোমোর বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে পয়েন্ট হারাল রোমা