|
দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 26, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আন্দোলনের সাফল্যের পর ককরোচ জনতা পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনা

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তরুণ নেতা অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং সরকারের সঙ্গে সমঝোতার মধ্য দিয়ে সফলভাবে নিট আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটিয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। আন্দোলনের প্রধান দাবিগুলো পূরণ হওয়ার পর এখন সংগঠনের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা ও জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকা অভিজিৎ দীপকে, অশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসরা কি এবার প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে পা রাখবেন, নাকি সামাজিক ও যুব আন্দোলনকেই এগিয়ে নিয়ে যাবেন—তা নিয়েই চলছে নানা মহলে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দিন গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংগঠনের অন্যতম নেতা অশুতোষ রানকা জানান, টানা আন্দোলনের কারণে দীর্ঘদিন পরিবারের বাইরে থাকা এবং তাদের সময় দিতে না পারার কারণে আপাতত তিনি বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নিতে চান। এরপর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ঠিক করবেন। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সরাসরি উড়িয়ে না দিয়ে তিনি জানান, ভারতের রাজনীতিতে কোনো সম্ভাবনাকেই আগে থেকে পুরোপুরি নাকচ করা উচিত নয়, যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

অন্যদিকে, সংগঠনের মুখপাত্র সৌরভ দাস সরাসরি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, দেশে রাজনৈতিক দলের কোনো ঘাটতি নেই, ঘাটতি রয়েছে তরুণদের প্রত্যাশা ও বাস্তব সমস্যার সঠিক প্রতিফলনের। তাই তাদের মূল লক্ষ্য হবে যুব আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া এবং সরকারের দলের পরিচয় নির্বিশেষে তরুণদের স্বার্থ রক্ষায় আপসহীন অবস্থান বজায় রাখা। আন্দোলনের মাধ্যমে প্রাপ্ত জনসমর্থনকে কোনো রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করার চেয়ে বরং সামাজিক ও গণআন্দোলনের ভিত শক্ত করাকেই তারা বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।

সরকারের সঙ্গে শেষ মুহূর্তের বৈঠকের বিষয়ে অশুতোষ রানকা জানান, বিজেপি সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা এবং মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে কোনো নতুন মামলা না করার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে মৌখিক আশ্বাস পাওয়া গেছে বলেও তিনি দাবি করেন। পেশাদার রাজনীতিবিদ না হয়েও কেবল শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যে ঐক্য গড়ে তুলেছে, তা আগামী দিনে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে একটি বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা ও রাডার ক্ষতিগ্রস্ত: ইরান যুদ

1

বদলগাছী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছাদে ফাটল: ঝুকি নিয়েই চলছে চিক

2

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েও দ্বিতীয় টেস্টে দলে বদলের ইঙ্গিত

3

দীর্ঘ দুই মাস পর মধ্যপাড়া খনিতে ফের পাথর উত্তোলন শুরু

4

বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে ১০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান যুক্তরা

5

আসিয়ান হিউন্ডাই কাপ: ফিলিপাইনকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় মিয়ানমা

6

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মিয়ান

7

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং বাড়ার পেছনের ৩টি মূল কারণ

8

বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচ: তিউনিসিয়া-জাপান লড়াই

9

শান্তি আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি শর্ত দিলেন ইরানের প্

10

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ ট্রিপল হেডার

11

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, তারা আর রাজনীতি করতে প

12

শরিফ ইউনিভার্সিটিতে বোমা হামলার নিন্দা মার্কিন কংগ্রেস সদস্য

13

১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রফতানি নিয়ন্ত্রণ

14

বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করলেন ১৮ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড হামজা আব

15

বাংলাদেশ ও মিসরের মধ্যে গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদারে বিশেষ উদ্য

16

এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬: পাসের হার হ্রাসের মধ্যেও দেশজুড়ে আনন্দে

17

নৈতিক স্খলনের অভিযোগ: জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দল থেকে

18

ডলারের দুর্বলতা ও মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেড় মাসের মধ্যে স্বর্ণের

19

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল: বর্তমান র‍্যাঙ্কিং, স্কোয়াড ও ২

20