টানা ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা পিছানোর জোর দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় পুরো বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দ্রুতই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আশ্বাসের কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈরী আবহাওয়ার সাম্প্রতিক সব আপডেট সংগ্রহের জন্য মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। যেসব এলাকায় বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষা নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে, সেসব অঞ্চলের তথ্যগুলো গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হচ্ছে। কোনো কেন্দ্রে বা এলাকায় পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে পরীক্ষা স্থগিত করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেও মন্ত্রণালয় পিছপা হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টিই বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত শিডিউল নিয়মিত আপডেট করা হচ্ছে এবং স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো পরবর্তীতে কীভাবে নেওয়া যায়, তা নিয়েও ইতোমধ্যে পরিকল্পনা শুরু হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনো ঝুঁকি নেওয়া হবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা নিরসনে মন্ত্রণালয় থেকে নিয়মিত আপডেট জানানো হবে। তাই শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে।
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং পরীক্ষার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে মন্ত্রণালয় কি দ্রুত কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারবে বলে আপনার মনে হয়?
মন্তব্য করুন