দ্রুত লিংক
বিভাগসমূহ
মিডিয়া বিভাগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 30, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

লুইস ফাররাখানের স্ত্রী ও নেশন অব ইসলামের ফার্স্ট লেডি খাদিজা ফাররাখানের প্রয়াণ

০ শেয়ার
লুইস ফাররাখানের স্ত্রী ও নেশন অব ইসলামের ফার্স্ট লেডি খাদিজা ফাররাখানের প্রয়াণ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী কৃষ্ণাঙ্গ মুসলিম সংগঠন ‘নেশন অব ইসলাম’-এর নেতা লুইস ফাররাখানের স্ত্রী মাদার খাদিজা ৯০ বছর বয়সে মারা গেছেন। তাঁর জীবন ও অবদান নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন।

সংক্ষেপে মূল তথ্য
  • যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ মুসলিমদের প্রভাবশালী সংগঠন ‘নেশন অব ইসলাম’-এর ফার্স্ট লেডি এবং দীর্ঘদিনের নেতা লুইস ফাররাখানের সহধর্মিণী খাদিজা ফাররাখান মারা গেছেন।
  • গত শনিবার (২৭ জুন) ৯০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
  • অনুসারীদের কাছে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাভরে ‘মাদার খাদিজা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ মুসলিমদের প্রভাবশালী সংগঠন ‘নেশন অব ইসলাম’-এর ফার্স্ট লেডি এবং দীর্ঘদিনের নেতা লুইস ফাররাখানের সহধর্মিণী খাদিজা ফাররাখান মারা গেছেন। গত শনিবার (২৭ জুন) ৯০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অনুসারীদের কাছে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাভরে ‘মাদার খাদিজা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

জীবনের এক ঝলক: ১৯৫৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বোস্টনে লুইস ফাররাখানের (তৎকালীন লুইস ইউজিন ওয়ালকট) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ১৯৫৫ সালে ইসলাম গ্রহণের পর থেকেই তিনি নিজের স্বামীকে কৃষ্ণাঙ্গদের আত্মনির্ভরশীলতা ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সর্বদা অনুপ্রাণিত করেছেন। দীর্ঘ ৭২ বছরের দাম্পত্য জীবনে তিনি নেশন অব ইসলামের একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছিলেন।

প্রভাবশালী নেতৃত্ব: খাদিজা ফাররাখান কেবল একজন নেতার স্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব। ১৯৯৭ সালে ফিলাডেলফিয়ার ‘মিলিয়ন ওম্যান মার্চ’-এ তাঁর বক্তব্য আজও অনেকের মনে গেঁথে আছে। তিনি বলতেন, “একটি জাতি তার নারীদের চেয়ে বেশি উচ্চতায় উঠতে পারে না।” পরিবার, সমাজ এবং কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের ক্ষমতায়নে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

শেষ শ্রদ্ধা ও জানাজা: মাদার খাদিজার মৃত্যুতে নেশন অব ইসলামের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আগামী ১ ও ২ জুলাই শিকাগোর ‘মসজিদ মরিয়ম’-এ মরদেহ রাখা হবে। এরপর ৩ জুলাই শুক্রবার সকাল ১১টায় একই মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

নেশন অব ইসলামের পথচলা: ১৯৩০ সালে ওয়ালেস ডি. ফার্ড মুহাম্মদের হাত ধরে যাত্রা শুরু করা এই সংগঠনটি কৃষ্ণাঙ্গদের অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইলিয়াহ মুহাম্মদ, ম্যালকম এক্স এবং মুহাম্মদ আলীর মতো ব্যক্তিত্বদের সংস্পর্শে এই আন্দোলন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়। ১৯৭৭ সালে লুইস ফাররাখান যখন সংগঠনটি পুনর্গঠন করেন, তখন তাঁকে সামলানো এবং কর্মীদের মনোবল ধরে রাখার ক্ষেত্রে খাদিজা ফাররাখান আড়ালে থেকে যে বিশাল ভূমিকা পালন করেছিলেন, তা সংগঠনের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মাদার খাদিজার চলে যাওয়া আমেরিকান মুসলিম ইতিহাসে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি করল। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ ও শিক্ষা প্রজন্মের পর প্রজন্ম কৃষ্ণাঙ্গ মুসলিমদের এগিয়ে যেতে প্রেরণা জোগাবে।

আপনার কি মনে হয় নেশন অব ইসলামের মতো সংগঠনগুলোর সামাজিক অবদান কৃষ্ণাঙ্গ মুসলিমদের জীবনযাত্রায় কতটা প্রভাব ফেলছে?

ঢাকা ফাইলস ভেরিফাইড এডিটর

ঢাকা ফাইলসের প্রতিটি সংবাদ সম্পাদকীয় নীতি ও যাচাই প্রক্রিয়া মেনে প্রকাশ করা হয়। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি পড়ুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
1

২০২৬ বিশ্বকাপে মেসির ১৭ মিনিটের গোল, ফেসবুকে কেয়া পায়েলের উচ্ছ্বাস

2

যে কৌশলে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসিয়ে ইতিহাস গড়লেন পেসার হাসান মাহমুদ

3

অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর: জানুন রুটিন ও নির্দেশিকা

4

আল্লাহর ৫টি মহামূল্যবান ওয়াদা

5

বিমানবন্দরে সিন্ডিকেটের কারসাজি: বোর্ডিং গেটে ৫ জন ধরা পড়ার পর পালালেন ৭১ যাত্রী

6

নৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি খামেনি: সাবেক ব্রিটিশ কূটনীতিকের পর্যবেক্ষণ

7

আগামী ২৬ অক্টোবর হবে ক্রিকেটারদের নিলাম

8

হায়দ্রাবাদ বনাম রাজস্থান রয়্যালস: আজকের আইপিএল ম্যাচের লাইভ আপডেট ও প্রেডিকশন

9

হরমুজ প্রণালি সংকটে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রাশিয়ার

10

সিটি ব্যাংকের ইজিএম বাতিল এবং শাহজালাল ব্যাংকের পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা